স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
যশোরে ত্রিয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে জাতীয় পার্টির প্রচারণার গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের তালতলা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত মাইক ভাঙচুর ও ব্যানার ছেঁড়া হয়।
জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, জামায়াত ইসলামীর কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। এ সময় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়নি।
হামলার ঘটনায় জাতীয় পার্টির পক্ষে কোতোয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
জাতীয় পার্টি মনোনীত যশোর -৩(সদর) আসনের প্রার্থী খবির গাজী বলেন, শহরের তারতলা মোড়ে আমার নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে হামলা করা হয়েছে। জামায়াতের কর্মীরা এই হামলা করেছে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রচারণার দ্বিতীয় দিনেয় এই হামলার ঘটনায় আমি উদ্বেগ প্রকাশ করছি। এমন হামলার ঘটনা ঘটলে তো সুষ্ঠ ভাবে নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। আমি মনে করি প্রশাসন একপাক্ষিক আচারণ করছে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পাচ্ছি না।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সদর আসনের প্রার্থী শোয়াইব হোসেন বলেন, আমি একজন প্রার্থী হিসেবে এঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। নির্বাচনে সকল প্রার্থীর জন্য মাঠে সমান সুযোগ সুবিধা থাকতে হবে।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত যশোর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, এই হামলার ঘটনায় আমি নিন্দা জানাই। প্রশাসনকে বলব অতিদ্রত এই ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওয়াতায় আনতে হবে। আমরা একটা সুষ্ঠ গণতান্ত্রিক পরিবেশের দিকে যাচ্ছি । তখন এই হামলা আমাদের ব্যথিত করে। তারাও তো নির্বাচন কমিশন থেকে ভোট করার বৈধতা নিয়ে মাঠে কাজ করছে।
যশোর-৩(সদর) আসনের জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুর কাদেরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে জানানো হয় এই ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত নন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় আইননানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান বলেন, এখনও পর্যন্ত আমার কাছে এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইননানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।




