চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও ফসল লুটের অভিযোগ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
যশোরে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী বসতবাড়ি ভাঙচুর, ফসল লুট ও গাছপালা কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন কেশবপুর উপজেলার চাঁদড়া গ্রামের বাসিন্দা নূর ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নূর ইসলাম বলেন, কেশবপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম তার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তার বাড়িতে হামলা চালায়।

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা তার বসতঘর ভাঙচুর করে এবং দুই বিঘা জমির সরিষা ক্ষেত কেটে আলমসাধু ও ভ্যানযোগে লুট করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি বসতভিটার আশপাশে লাগানো ১০টি শিশু গাছ, ৫টি মেহগনি গাছ, ১০টি নারিকেল গাছ এবং প্রায় ১০০টি বাঁশ কেটে নিয়ে যায়। এতে আনুমানিক ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

নূর ইসলাম অভিযোগ করেন, হামলা প্রতিহত করতে গেলে আবুল কাশেম ও তার সহযোগীরা পরিবারের নারী সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে ১০ থেকে ১২ জন নারী আহত হন। গুরুতর আহত দুই নারীকে যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের ভয়ে পরিবার নিয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও জানান নূর ইসলাম। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নূর ইসলামের পুত্রবধূ নার্গিস, ভাই মুনতাজ, ভাইয়ের স্ত্রী কমলা এবং মুনতাজের পুত্রবধূ মৌসুমি উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আবুল কাশেমের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।