স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের এক বন্দিকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি এমন খবর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে যশোরের জেলা প্রশাসন।
রোববার সকালে জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাগেরহাট কারাগার থেকে গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত বন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যশোর কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর প্যারোলে মুক্তির জন্য কোনো লিখিত আবেদন করা হয়নি।
এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মিডিয়া সেলের সহকারী কমিশনার আশীষ কুমার দাস জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তির জন্য কোনো লিখিত আবেদন দাখিল করা হয়নি। বরং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায়, সময় স্বল্পতার কারণে তারা পারিবারিক সিদ্ধান্তে প্যারোলে মুক্তির আবেদন না করে কারাগারের গেটে মরদেহ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বন্দির স্ত্রীর নামে লেখা চিঠি ও কারাগারে বন্দি অবস্থায় কিছু ছবি প্রচার করা হচ্ছে, যেগুলোর সঙ্গে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। একইভাবে, আবেদন করার পরও প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি এ ধরনের তথ্যও সঠিক নয়। কারণ প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর কোনো আবেদনই করা হয়নি।
আশীষ কুমার দাস জানান, পরিবারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মানবিক দিক বিবেচনায় কারা ফটকে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সকল গণমাধ্যমকে সত্যনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও যাচাই-বাছাইপূর্বক সংবাদ প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।




