স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
যশোর-২ (ঝিকরগাছা–চৌগাছা) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ তার নির্বাচনি প্রচারে নিয়োজিত নারী নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে ফরিদ বলেন, দুপুরে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে সাধারণ নারীদের কাছে ভোট চাইতে গেলে প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারিরা নারী ভোট কর্মীদের শারীরিকভাবে আহত করে এবং নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে তাদের লাঞ্ছিত করে। এ সময় নারীদের গায়ে হাত দেওয়া, শ্রীলতাহানির চেষ্টা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে ভাঙচুর ও ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হয়। ব্যাগে থাকা টাকা, কাগজপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় হামলাকারীরা। পাশাপাশি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং পুনরায় এলাকায় গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়।
হামলায় আহতদের মধ্যে রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস ও জোসনাসহ মোট ১০ জন নারী নেতা-কর্মী রয়েছেন বলে জানানো হয়। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. ফরিদ আরও অভিযোগ করেন, যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোলসহ সবুজ, আহনাত, সোহাগ ও আরও ১০–১৫ জন এই হামলার সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, ধারাবাহিকভাবে তার নির্বাচনি কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করছে।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে ঝিকরগাছা ও চৌগাছা এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর রঙিন ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন লাগিয়ে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও তোলেন।
সংবাদ সম্মেলনে নারীদের ওপর হামলার ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন ঝিকরগাছা উপজেলা মহিলা জামায়াতের সম্পাদক জ্যোৎসা আরা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ঝিকরগাছা পৌর সম্পাদক রাফিজা খাতুন, জেলা কর্মপরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদিন, ঝিকরগাছা জামায়াতের আমীর আব্দুল আলীম, নায়েবে আমীর হারুন অর রশিদ এবং চৌগাছা জামায়াতের আমীর গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




