স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
আজ যশোরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা পুলিশ। জনসভাস্থল, হেলিপ্যাড এবং যাতায়াতের পুরো রুটজুড়ে পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
রোববার বিকেল ৫টার দিকে যশোর উপশহর উদ্যানের জনসভাস্থল পরিদর্শন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার জানান, ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি ডিবি ও ডিএসবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। নিরাপত্তা জোরদারে জনসভাস্থলে দায়িত্বরত শতাধিক পুলিশ সদস্য বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন, যার লাইভ ফিড সরাসরি কন্ট্রোল রুমে মনিটর করা হবে।
তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ ৫টি পয়েন্টে যান চলাচলে ডাইভারশন এবং ৪টি পয়েন্টে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত অতিথি ছাড়া কোনো যানবাহন জনসভাস্থলের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া সভাস্থলের আশপাশের বড় গাছ বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে যেন কেউ না ওঠে, সে বিষয়ে আয়োজক দলের নেতৃবৃন্দকে সতর্ক করা হয়েছে। আয়োজক পক্ষ থেকেও পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন থাকবে।
পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, এই জনসভা নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আমরা এই অনুষ্ঠানকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদানের মাধ্যমে নির্বিঘ্ন করব ইনশাআল্লাহ। এটি জেলা পুলিশ তথা বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে এবং আগামী ১২ তারিখের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একটি সফল রিহার্সাল হিসেবে কাজ করবে।
উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর ২টায় উপশহর সংলগ্ন একটি কলেজ মাঠে হেলিকপ্টারযোগে তারেক রহমানের অবতরণের কথা রয়েছে। সেখান থেকে সড়কপথে তিনি উপশহর উদ্যানের জনসভাস্থলে পৌঁছাবেন। এ সফরকে কেন্দ্র করে যশোর জেলা জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।




