স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
ঝিকরগাছা থানার চাঞ্চল্যকর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ভ্যানচালক শামীম পারভেজ (২১) হত্যাকাণ্ডে নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন যশোর জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। নিহত শামীম পারভেজ পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিলেন এবং তিনি কিছুটা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। গত ৩০ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে ঝিকরগাছা থানাধীন ০২ নম্বর মাগুরা ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামের আঙ্গারপাড়া নাইলপুকুর সংলগ্ন এলাকায় জনৈক শামীম হোসেন (২৮)-এর কলাবাগানের ভেতর শুকনো ঘাস দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এসময় তার গলায় তার ও লুঙ্গি পেঁচানো ছিল।
ঘটনার পর যশোর জেলা পুলিশ সুপারের সরাসরি নির্দেশনায় ঝিকরগাছা থানা পুলিশ দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ৩১ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে অভিযুক্ত ইব্রাহিম খলিলকে এবং আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ মামুন (১২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। একইসাথে নিহতের ব্যবহৃত ভ্যানটি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে সোমবার যশোর জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম নিহত শামীম পারভেজের পরিবারের সদস্যদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা জানান। মানবিক সহানুভূতির অংশ হিসেবে পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, যশোরের নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন এবং ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ ঘটনায় দ্রুত আসামি গ্রেপ্তার ও ভিকটিম পরিবারের পাশে দাঁড়ানোয় স্থানীয়ভাবে যশোর জেলা পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সচেতন মহল।




