বিএসএফের গুলিতে নিহত, ১৭ দিন পর লাশ ফেরত দিলো ভারত

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ফেনি জেলা প্রতিনিধি// ফেনীর পরশুরামে বিএসএফের গুলিতে নিহত মেজবাহ উদ্দিনের লাশ ১৭ দিন পর বাংলাদেশি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ। পুলিশ মরদেহ গ্রহণের পর ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী বিলোনিয়া স্থল বন্দরের চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় পুলিশ বাংলাদেশি পুলিশের নিকট মেজবাহ উদ্দিনের মরদেহ হস্তান্তর করেন। এতে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন খেজুরিয়া কোম্পানি কমান্ডার জেসিও সুবেদার ওমর ফারুক ও পরশুরাম মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ২০০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সারসীমা কোম্পানি কমান্ডার এসি সত্যিয়া পাল সিং ও ভারতীয় বিলোনিয়া থানার ওসি পরিতোস দাস।

এর আগে ১৩ নভেম্বর উপজেলার বাঁশপদুয়া গ্রামে সীমান্তবর্তী এলাকায় ধান কাটতে গেলে ভারতীয় বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায়। তিন দিন পর স্থানীয়রা মেজবাহ উদ্দিনের মরদেহ ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের ১০০ গজ ভিতরে পড়ে থাকতে দেখে বিজিবিকে খবর দিলে ১৬ নভেম্বর রাত তিনটায় বাংলাদেশি কৃষক মেজবাহ উদ্দিনের মরদেহ নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।গেল বুধবার দিবাগত রাত ৩টায় বিজিবি-বিএসএফের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে তার মরদেহ নিয়ে যায় তারা।

সোমবার নিহতের স্ত্রী ও স্থানীয়রা মরদেহ পরশুরাম উপজেলার উত্তর গুথুমা গ্রামের মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিনের (৪৭) বলে শনাক্ত করেন।

তিনি পরশুরাম পৌর এলাকার উত্তর গুথুমা গ্রামের মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে এবং পেশায় কৃষক।লাশ হস্তান্তরের সময় পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন নিহতের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার, ছোট বোন পারুল আক্তার, চার কন্যাসহ পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল, স্থানীয় কাউন্সিলর নিজাম উদ্দিন সুমন।

পরশুরামের মজুমদার হাট সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মনিরুজ্জামান জানান, দুদেশের বিজিবি-বিএসএফ, পুলিশের উপস্থিতিতে আইনগত প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ জানায়, ভারতের সীমানার অংশে থাকা মরদেহ অর্ধগলিত অবস্থায় তারা ১৭ নভেম্বর উদ্ধার করে ভারতের আইন অনুযায়ী ময়নাতদন্তের পর আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার দুপুরে মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে।নিহত মেজবাহারের স্ত্রী রহিমা বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামীর মরদেহ চেনার কোনো উপায় নেই, মরদেহ অনেকটা পচে গলে গেছে।

তিনি বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। রহিমা আক্তার আরও দাবি করেন বিএসএফ তার স্বামীকে বাংলাদেশ থেকে ধরে নিয়ে বিনা অপরাধে হত্যা করেছে।স্থানীয় কাউন্সিলর নিজাম উদ্দিন সুমন জানান, গত ১৩ নভেম্বর রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মেজবাহ উদ্দিন বাঁশপদুয়া গ্রামের ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ধান কাটতে যান।

এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যান। তার লাশ সনাক্তের কোন সুযোগ নেই। লাশ পচে গেলে গেছে।ভারতের বিলোনিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক পরিতোষ দাস জানান, নিহত মেজবাহ উদ্দিনের শরীরে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেজবাহ উদ্দিনের মরদেহ ফেরত দেওয়ায় পর, তা ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ জানায়, ভারতের সীমানার অংশে থাকা মরদেহ অর্ধগলিত অবস্থায় তারা ১৭ নভেম্বর উদ্ধার করে ভারতের আইন অনুযায়ী ময়নাতদন্তের পর আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার দুপুরে মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে।

নিহত মেজবাহারের স্ত্রী রহিমা বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামীর মরদেহ চেনার কোনো উপায় নেই, মরদেহ অনেকটা পচে গলে গেছে। তিনি বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। রহিমা আক্তার আরও দাবি করেন বিএসএফ তার স্বামীকে বাংলাদেশ থেকে ধরে নিয়ে বিনা অপরাধে হত্যা করেছে।

স্থানীয় কাউন্সিলর নিজাম উদ্দিন সুমন জানান, গত ১৩ নভেম্বর রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মেজবাহ উদ্দিন বাঁশপদুয়া গ্রামের ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ধান কাটতে যান। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যান। তার লাশ সনাক্তের কোন সুযোগ নেই। লাশ পচে গেলে গেছে।

ভারতের বিলোনিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক পরিতোষ দাস জানান, নিহত মেজবাহ উদ্দিনের শরীরে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেজবাহ উদ্দিনের মরদেহ ফেরত দেওয়ায় পর, তা ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।