রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:-রাজশাহীর বাঘায় দাবদাহে বড়াল নদীতে মরে যাওয়া মাছ ধরছে শিশুরা। শনিবার আড়ানী পৌর এলাকার গোচর বড়ালে মাছ ধরতে দেখা গেছে। এদিকে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় অধিকাংশ টিউবওয়েলে পানি উঠছে না।
পানির অভাবে জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না কৃষকরা। মাটি ফেটে চৌচির, নদ-নদী, খাল-বিলের পানি শুকিয়ে গেছে। কয়েক দিন থেকে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, খরার কবলে পড়েছে এলাকা। প্রখর রোদে বড়ালের পানি গরম হয়ে মাছ মরে যাচ্ছে। এ মাছ স্থানীয়রা ধরে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে গোচর গ্রামের সুমন হোসেন বলেন, আমি নদীর ধার দিয়ে গরুর জন্য খাস কাটতে যাচ্ছিলাম। এ সময় দেখি কয়েকটি মাছ ভেসে আছে। আমি ২ কেজি মাছ ধরেছি, সুরুজ আলী ১ কেজি মাছ ধরেছেন। মাছের মধ্যে বাইম, চিংড়ি, পুঁটি, টাকি, সোল পেয়েছেন।
এ সময় জামনগর ইউনিয়নের গৈয়লার ঘোপের কয়েকজন নারী-পুরুষকে মাছ ধরতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে বাদশা কপি হাউজের মালিক মোহাম্মদ বাদশা বলেন, আমার দোকানে বিদুৎচালিত মর্টারে পানি উঠছে না। ফলে দোকান চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমার বাড়ির টিউবওয়েলেও পানি উঠছে না। ফলে পানি নিয়ে খুব বেকায়দায় রয়েছি।উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারি প্রকৌশলী কেএম নাসির উদ্দীন বলেন, কোথাও কোথাও ৩০ থেকে ৩৫ ফুট পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে পানির সমস্যা দেখা দিয়েছে।
অনেক স্থানে নদ-নদীর পানি গরম হয়ে মাছ মরে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান তিনি।







