বিচারপ্রার্থী নারীর কাছে এ কেমন আবদার ইউপি সদস্যের

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

নোয়াখালী:-নোয়াখালীর সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নে বিচারপ্রার্থী নারীর (৩০) সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটাতে চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। 

অভিযুক্ত মো. আবু সাঈদ রাসেদ জেলার সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নোয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, একই উপজেলার কলারহাটের সাবেক মেম্বার ইউসুফ ভিকটিমকে নোয়াখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাসেদের কাছে বিচারের জন্য পাঠান। ভুক্তভোগী নারী তার পারিবারিক সমস্যার কথা মেম্বারকে খুলে বলেন। সব কথা শুনে মেম্বার রাসেদ সমস্যা সমাধান করে দেবে বলে ওই নারীকে কুপ্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে রাত ১০টার পর ওই নারীর কাছে তাকে ১০ মিনিট সময় দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেন। 

প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিচার করে দেবে না বলে উল্টো মেম্বার হুমকি-ধমকি ও গালাগাল করেন। এর পর ভিকটিমের মুঠোফোনে কল দেন। ভয়ে ভিকটিম ফোন তার বোনকে ধরিয়ে দেন। ফোনে মেম্বার ভুক্তভোগী নারীকে মনে করে তার বোনকে খারাপ ভাষায় কথা বলেন এবং বারবার কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। এর পর ইউসুফ মেম্বারকে নিয়ে তিনি রাত ১০টার সময় ভিকেটিমের বাড়ি আসেন। তখন ভুক্তভোগী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে মেম্বার রাসেদ চলে যান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ রাসেদের মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

নোয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান মাওলানা ইয়াসিন আরাফাত পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তিনি থাকতে ভুক্তভোগী নারী লিখিত অভিযোগ করেন এবং ৭ জন ইউপি সদস্যের সামনে মৌখিকভাবেও ঘটনার বর্ণনা দেন। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় রোববার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। একজন কর্মকর্তাকে তদন্ত করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।