দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:-কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক হাফিজুর রহমান পিন্টু প্রকাশ্যে নেন ঘুষ। নামজারি/খারিজ কেস জমা দিতেও লাগে সর্ব নিন্ম ১’শ টাকা।
১৪ ইউনিয়নে নামজারি/খারিজ কেস গড়ে প্রতিদিন ১৫০/২০০টি আবেদন জমা পড়ে উপজেলার ভূমি অফিসে। দালালদের দৌরাত্বের কারনে সেবা প্রত্যাশিরা বঞ্চিত হয় প্রতিনিয়ত। সরেজমিনে উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ভূমি সংক্রান্ত কাজ যেমন নাম প্রস্তাব, সার্ভে রিপোর্ট, নামজারি, ডিসিআর সংগ্রহ ও মিস কেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ের সমস্যা নিয়ে সেবা প্রত্যাশিরা এসেছে এই অফিসে। সাধারন সেবা প্রত্যাশিদের চেয়ে আনুপাতিক হারে দালালদের দৌরাত্ব বেশি লক্ষ্য করা গেছে অফিস চত্বরে।
সেসময় সময় অফিস সহায়ক পিন্টু প্রতিটি নামজারি আবেদন জমা নিতে প্রক্যাশে ১’শ টাকা করে ঘুষ নিচ্ছেন বিষয়টি এই প্রতিবেদকের নজরে আসলে কিসের টাকা নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেন তাদের অনুমতিতেই আমি এই টাকা নিচ্ছি বলে জানান তিনি। কে সেই পিন্টুর কর্তৃপক্ষ খোঁজ করতে গেলে অফিসের প্রধান সহকারী রবিউল ইসলাম এর নাম সামনে আসে এবং তিনিও নাকি ঘুষের বিনিময়ে কাজ করেন বলে উপস্থিত ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। আপনার অনুমোতিতেই নাকি ঘুষ লেনদেন করেন অফিস সহায়ক হাফিজুর রহমান পিন্টু এব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি? এমন প্রশ্œের জবাবে প্রধান সহকারী রবিউল ইসলাম বিষয়টি সম্পূর্ন অস্বিকার করেন এবং বলেন আমি কেন আরেক জনকে ঘুষ নেওয়ার কথা বলবো বলে উত্তর দেন তিনি।
প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আহসানুজ্জামান বলেন, এই অফিসে এরকম কোন নির্দেশনা দেওয়া নাই বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমি শাহীদুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।






