৪১ আসনে নির্বাচন করবে তরীকত ফেডারেশন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪১টি আসনে নির্বাচন করবে ১৪ দলের শরিক বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন। রোববার (১৭ ডিসেম্বর) দলটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী কালবেলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এবার শুরু থেকেই শোনা যাচ্ছিল চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে নৌকা হারাচ্ছেন সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী। এ নিয়ে হতাশা নেমে আসে ভান্ডারীর ভক্ত-অনুসারীদের মধ্যে। তবে আসন ভাগাভাগির শেষ মুহূর্তে নজিবুল বশর দাবি করেন, ফটিকছড়ি আসন ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাকে। এমন আশ্বাসে স্বস্তি মেলে ভান্ডারী অনুসারীদের।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী মোবাইল ফোনে কালবেলাকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) লাস্ট আওয়ারে (শেষ রাতে) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব আমাকে ফোন দিয়েছিলেন। এ সময় তিনি বলেছেন, আমার আসন আমি পাচ্ছি।’

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এবার নির্বাচন ঘিরে আগ থেকেই নানা সমীকরণ চলছিল। তাই দলের শীর্ষ নেতারাও পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা সাজিয়ে ছিলেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু ৭টি আসনে জোটের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন, সেখানে নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর নাম ছিল না। এ নিয়ে কথা বলতে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন ডাকে দলটি। সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণার পরই বৃহস্পতিবার শেষ দিকে নিজের আসন ফিরে পাওয়ার আশ্বাস পান নজিবুল বাশর মাইজভান্ডারী।

তবে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার সকালে ধানমন্ডিতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তরীকত ফেডারেশন। এ সময় নজিবুল বশর বলেন, ‘এবার নির্বাচনে পাঁচ থেকে ৬টি আসনের কথা বলা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। তার মধ্যে আমরা আছি। আমি জানি, আমারটা আছে। আমাকে ৪ ডিসেম্বরই আসন বলে দেওয়া হয়েছিল। সেদিন ওবায়দুল কাদের সাহেব প্রকাশ্যে কয়েকজনের নাম বলে দিয়েছিলেন। বাকিগুলো আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

আসন নিয়ে শরিকদের অসন্তুষ্টি জোটে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না—এমন প্রশ্নে নজিবুল বশর বলেছিলেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভালো নয়। বিএনপি-জামায়াতসহ একটি বড় অংশ বাইরে। তারা নাশকতাসহ আন্দোলন করে যাচ্ছে। বিদেশি মহল সরব ছিল, এখন চুপচাপ হয়ে গেছে। চুপচাপ থাকা ভালো লক্ষণ নয়। সবকিছু মিলিয়ে মনে করি জোটের বিকল্প নেই। আদর্শিক জোট ছিল, আছে ও থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন, তা মেনে নেব