গাইবান্ধায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার উপরে

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

গাইবান্ধার তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়াসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোলরুম সূত্র জানায়, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিস্তার পানি (কাউনিয়া পয়েন্টে) বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানি (ফুলছড়ি পয়েন্টে) ১১৫ সে.মি, ঘাঘট নদীর পানি (নতুন ব্রিজ পয়েন্টে) ১৬৭ সে.মি ও করতোয়া নদীর পানি (চকরহিমাপুর পয়েন্টে) বিপৎসীমার ২৬৩ সে.মি নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে বেশ কিছু স্থান প্লাবিত হয়েছে। একইসাথে সুন্দরগঞ্জের কাপাসিয়া এলাকায় পানি বৃদ্ধির ফলে কিছু সংখ্যক ঘর-বাড়িতে পানি উঠতে শুরু করেছে। এতে নদী তীরবর্তী মানুষেরা গৃহপালিত পশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে জেলার সবগুলো নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে নদীর তীরবর্তী ও নিচু এলাকার বেশ কিছু ঘর-বাড়ি ও বিভিন্ন ফসলাদি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। নদ-নদীগুলোর পানিবৃদ্ধির কারণে কামারজানি, কাপাসিয়া, এরেন্ডাবাড়ী, ঘাগোয়া, হরিপুর, ফজলুপুর ও তারাপুরসহ নিচু এলাকায় পানি উঠতে শুরু করেছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বলেন, গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।তবে আগামীকাল থেকে পানি আবার কমতে পারে।