মিথ্যা চাঁদাবাজি ও অপহরণের মামলা দায়েরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

শিল্প ও বন্দর নগরী নওয়াপাড়ার ব্যবসায়ী মেসার্স মফিজ ট্রেডিং-এর সত্ত্বাধিকারী মোঃ মফিজুর রহমান দপ্তরী ও মেসার্স জনি এন্টারপ্রাইজের পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান জনির বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি ও অপহরণের মামলা দায়েরের অভিযোগ তুলেছেন মফিজুর রহমানের স্ত্রী লাবন্য রহমান।

আজ শনিবার (৯ আগস্ট) যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি অভিযোগে জানান-নওয়াপাড়া মোকামে নাবিল গ্রুপের গম বিক্রির এজেন্ট মেসার্স জাফ্রিদী এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃ শাহনেওয়াজ কবির টিপুর কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে গম, কয়লা, সার ও ভুট্টার ব্যবসা করে আসছিলেন তার স্বামী।

লাবন্য রহমানের দাবি, আন্ডার রেটে গম সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টিপু বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে শত কোটি টাকা গ্রহণ করেছেন। এর অংশ হিসেবে জনি এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে তার স্বামীসহ একাধিক ব্যবসায়ী মোট চার কোটি ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পণ্য বা টাকা ফেরত না দিয়ে তালবাহানা শুরু করেন টিপু।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “চাপে পড়ে টিপু আমার স্বামীর ব্যাংক হিসাবে দুই কোটি টাকা জমা দেয়, যার মধ্যে এক কোটি টাকা জনি এন্টারপ্রাইজে এবং বাকি এক কোটি টাকা ছোট ব্যবসায়ীদের ফেরত দেওয়া হয়। তবে এখনো ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে।”

তার অভিযোগ, পাওনা টাকার জন্য চাপ দেওয়ায় টিপু ও তার স্ত্রী আসমা খাতুন পরিকল্পিতভাবে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মিথ্যা গল্প সাজিয়ে মামলা দায়ের করেছেন, যাতে তার স্বামী, জনি এন্টারপ্রাইজের পরিচালকসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

লাবন্য রহমান বলেন, “১৯৯৬ সাল থেকে জনি এন্টারপ্রাইজ এবং এক যুগ ধরে মফিজ ট্রেডিং সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ব্যবসায়িক পাওনা আদায়ে গিয়ে মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে আমার স্বামী গা-ঢাকা দিয়েছেন। আমরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, পাওনা টাকা ফেরত ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মফিজুর ও জনির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে তুলে নিযে নওয়াপাড়ায় বুক সমান গর্ত খুঁড়ে পুতে রেখে ৪ কোটি টাকা চাঁদা আয় করেন করেন অভিযুক্তরা-এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে পুলিশ মিঠু ও জনির বাবাকে গ্রেফতার করে। অপর আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।