স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব উইং জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেছেন, কক্সবাজারের ঘটনাসহ প্রতিনিয়তই মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হচ্ছেন এনসিপি নেতারা। তিনি বলেন, আমরা চাঁদাবাজি করতে আসিনি। দেশের জন্য কিছু করতে এসেছি।
এছাড়া সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক নিয়েও এক ধরনের গুজব ছড়ানো হয়েছে। মূলত বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ তরুণ নেতৃত্বকে মেনে নিতে পারছে না। তাই তাদেরকে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার চক্রান্ত করছে।
রবিবার (১০ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর বাংলামোটরে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
এতে আগামী ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে জাতীয় যুব সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করা হয়।
তারিকুল বলেন, ১২ আগস্ট জাতীয় যুবশক্তির যুব সম্মেলনে বাংলাদেশের যুব ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। এতে সারা দেশ থেকে নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করবেন।
তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো জাতীয় যুব সম্মেলনে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের বার্তা দেওয়া হবে। আমরা মনে করি, তরুণরা শুধু সমাজের চালিকা শক্তি নয়, তারা জাতি গঠনের কারিগর। তাই তাদেরকে এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করছি। কারণ, জুলাই আন্দোলনে তারা জাতির জন্য অনেক ত্যাগ শিকার করেছেন।
তারিকুল জানান, সম্মলনে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা এবং জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
সেখানে জোর দেওয়া হবে ঐক্যবদ্ধ যুব শপথের। যেখানে জনগণের কথা বলা হবে। আমরা মনে করি, এটি হবে বাংলাদেশের রাজনীতির নতুন মাইলফলক।
আমরা নতুন বন্দোবস্ত বাস্তবায়ন করতে চাই। অনেকে তরুণদের রাজনীতি থেকে পিছিয়ে দিতে চায়। বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে থেকে আমরা কোনও ধরনের সাহায্য পাইনি।
অনেকে ক্ষেত্রে তরুণদের চরিত্র হননের চেষ্টা করা হয়। তরুণদের মাইনাস করার এ অপচেষ্টা অশনিসংকেত। এমনটি হলে জাতিকে খেসারত দিতে হবে।
তিনি বলেন, ৩০ লাখ যুবক বেকার। আমরা চাই, তাদের জন্য কিছু করতে হবে। আমরা চাঁদাবাজি করতে আসিনি। দেশের জন্য কিছু করতে এসেছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— যুবশক্তির সদস্য সচিব ডা. জাহিদুল ইসলাম, মুখ্য সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী, মুখ্য সংগঠক (যুব উন্নয়ন) খালেদ মাহমুদ মোস্তফা প্রমুখ।







