যশোরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় অশ্রু সিক্ত নয়নে মহান সৃষ্টি কর্তার নিকট দুয়া করেছেন যশোরবাসী। রোববার বাদ আসর শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে যশোররাসীর সম্মিলিত দুআ- মুনাজাতে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লী অংশ নেন। দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় মুসল্লীদের আমিন আমিন ধ্বনিতে গোটা এলাকা মুখরিত হয়। ঈদগাহ ময়দানে আসরের আজান হয় এবং জামায়াতের সাথে নামাজ আদায় করেন মুসল্লীরা। জেলা বিএনপি সম্মিলিত দুআ ও মুনাজাতের আয়োজন করে। গণতন্ত্রের মাতার সুস্থতা কামনায় দুআ ও মুনাজাতে বিএনপির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, পেশাজীবী, ওয়ালামা মাশায়েখ, ব্যবসায়ী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। বিকেল ৪ টা মিনিটে নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বেলা সাড়েতিনটার আগে থেকে মুসল্লীর ঈদগাহ ময়দানে সমবেত হতে শুরু করেন। আসরের নামাজের জামায়াতের ইমামতি করেন, জেলা ইমাম পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুল মান্নান।

মুনজাত পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর -৩ ( সদর) আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের বাক স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং আপোষহীনতা দেখিয়েছেন। সে কারণে তিনি দলের উর্ধ্বে ওঠে সমগ্র জাতির অভিভাবক হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন। দেশ মাতার অসুস্থতার কারণে সমগ্র দেশবাসী দুআ ও প্রার্থনা করছেন। তিনি সমগ্র বাংলাদেশের মতো যশোরের উন্নয়নেও কাজ করেছেন। যশোরের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো খাতের উন্নয়নে দেশনেত্রীর অবদান অনস্বীকার্য, যশোর-২৫০ শয্যা হাসপাতালকে ১০০ থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত, সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ৫০ শয্যায় উন্নীত কিংবা যশোর মেডিকেল কলেজ সবকিছু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে গড়া। শিক্ষা ক্ষেত্রে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় নির্মাণ, যশোর সরকারি এম কলেজে, সরকারি সিটি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজে ভবন নির্মাণসহ একাধিক বিষয়ে অনার্স কোর্চ চালু, উশহর মহিলা কলেজ, ডিগ্রী কলেজ, যশোর কলেজসহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরির পেছনে বেগম খালেদা জিয়া হাতের ছোঁয়া আছে। আমার প্রয়াত পিতা তরিকুল ইসলামের স্বপ্ন ছিল যশোরের প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া। সেই আকাশ চুম্বি স্বপ্ন বেগম খালেদা জিয়া বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন। যশোরের প্রতিটি মহাসড়ক থেকে আঞ্চলিক সড়কের উন্নয়ন থেকে শুরু করে আন্তঃ ইউনিয়ন সড়ক তৈরিতেও তিনি অসামান্য অবদান রাখেন। সমগ্র বাংলাদেশ আজ গণতন্ত্রের মাতার জন্য দুয়া এবং প্রার্থনারত। ইন্নœশা আল্লাহ জনগণের দোয়া সৃষ্টি কর্তা তাকে সুস্থ করে জনগণের কাতারে ফিরিয়ে দেবেন।

পরে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন, জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল করিম যশোরী। দোয়া ও মুনাজাতে অংশ নেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, শহিদুল বারী রবু, সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম রেজা দুলু, অ্যাড. মোহাম্মদ ইসহক, সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য এ কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু, অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মকুল, সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক গোলাম রসুল, শহর শাখার ভারপ্রাপ্ত আমীর ইসমাইল হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মুফতি ফিরোজ শাহ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) জেলা সভাপতি নিজামুদ্দিন অমিত, জাতীয় নাগরিক পার্টি যশোর জেলা শাখার সমন্বয়ক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, যশোর সরকারি এম এম কলেজের শিক্ষক প্রফেসর আব্দুল কাদের, ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) যশোর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি আবু আহসান লাল্টু, জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর, যশোর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মিজানুর রহমান খান, সম্পাদক তানভীরুল ইসলাম সোহান, যশোর সংবাদ পত্র পরিষদের সভাপতি একরাম উদ দ্দৌলা, দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সম্পাদক এস এম তৌহিদুর রহমান, জেলা ইমাম পরিষদের সহসভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা হামিদুল ইসলাম, জেলা ফতোয়া বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এজাজী, দড়াটানা জামে মসজিদের ইমাম খতিব মুফতি আমানুল্লাহ কাসেমী, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজেদ রহমান বকুল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত )অধ্যক্ষ মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইবাদৎ খান, জেলা ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাহতাব নাসির পলাশ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এ বি এম আখতারুজ্জামান, সাবেক জাতীয় ফুটবলার সৈয়দ মাশুক মোহাম্মদ সাথী, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সানোয়ার আলম খান দুলু, জেলা লৌহ ও সিমেন্ট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সাইফুদ্দৌলা, ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা বাবুল, যশোর টায়ার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি কাওসার আহমেদ, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক বেনজীন খান, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কবি কাসেদুজ্জামান সেলিম, রোটারিয়ান মোয়াজ্জেম হোসেন টুলু প্রমুখ।