স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
যশোরের চৌগাছা উপজেলার দুটি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর নারী ভোটকর্মীদের ওপর বিএনপি সমর্থকদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে চৌগাছা পৌর শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলার ধূলিয়ানী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মুক্তারপুর গ্রামে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সাধারণ নারীদের কাছে ভোট চাইতে গেলে জামায়াতে ইসলামীর নারী নেতা-কর্মীরা হামলার শিকার হন। গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকরা অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, মুক্তারপুর গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের নেতৃত্বে একই গ্রামের লিয়াকত আলী, শিমুল হোসেন, কবির হোসেনসহ কয়েকজন হামলায় অংশ নেন। এ সময় নারী ভোটকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হামলায় আহত নারী কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন মোছা: রিংগুন খাতুন, সুমাইয়া বেগম, শাহানাজ খাতুন, দিশা খাতুনসহ পাঁচ থেকে ছয়জন।
এ ঘটনায় হামলার শিকার রিংগুন খাতুন নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে হাকিমপুর ইউনিয়নের মাঠচাকলা গ্রামে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গেলে আরও কয়েকজন নারী কর্মী হামলার শিকার হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন নাসরিন খাতুন, রিনা খাতুন, মোছা: নুরজাহান, লিমা খাতুন, সুমাইয়া খাতুন ও আলপনা খাতুন।
অভিযোগে বলা হয়, একই গ্রামের শাহাবুদ্দিন, মুকুল ও মন্টু রহমান ওই হামলায় জড়িত ছিলেন। এ ঘটনায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসানের দপ্তরে পৃথক লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নারী ভোটকর্মী নাসরিন খাতুন।
এসব ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চৌগাছা পৌর শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর চৌগাছা উপজেলা মহিলা বিভাগ ও ১১ দলীয় ঐক্য। আয়োজকরা হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।




