অপু বিশ্বাস বেছে নিলেন রুমিন ফারহানাকে!

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

দলবদল একটি সামাজিক রীতি। যদিও কেউ সেটি ঘন ঘন করলে, তা চোখে লাগে! আর ঘটনাটি যদি হয় সিনেমা নামের ঝাড়বাতির নিচে; তাহলে তো রক্ষে নেই সমালোচনা থেকে।

জুলাই আন্দোলনের পর থেকেই অনেক তারকারা তোপের মুখে আছেন। যা অনেক বেশি বেড়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। কারণ, অনেক তারকাই আওয়ামী লীগ আমলে দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন, ভোট চেয়েছেন এবং নমিনেশন পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাদের অনেকেই ফের একই কাজে ব্যস্ত এখনও। নায়িকা অপু বিশ্বাসকে বলা হয় তাদের মধ্যে অন্যতম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তথা বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা।নির্বাচনী এই সাফল্যের পর শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে নানা অঙ্গনের মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সংস্কৃতি জগত থেকেও আসছে শুভেচ্ছা বার্তা।

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস নিজের ফেসবুক স্টোরিতে রুমিন ফারহানার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তার এই শুভেচ্ছা বার্তা সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে ভক্তদের। তৈরি করেছে সমালোচনাও। কারণ, অনেকেই মনে করছেন রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবিটিকে অপু রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন! আবার অনেকেই বলছেন, তারকাদের এমন রাজনৈতিক ছবি ও প্রতিক্রিয়া প্রকাশের উদ্দেশ্য বরাবরই নেতিবাচক।

এদিকে নির্বাচনের আগের দিন অপু তার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন নতুন সরকারের প্রতি।

নির্বাচনের আগের দিন (১১ ফেব্রুয়ারি) অপু বিশ্বাস বলেছিলেন, ‘যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, তাদের সাধুবাদ জানাই। আমার পক্ষ থেকে অগ্রিম শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও উদ্যোক্তা হিসেবে চাইব, সবাই যেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।’

নতুন সরকারের কাছে নিজের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি যেন সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি দেশের বিনোদন অঙ্গন, বিশেষ করে চলচ্চিত্রশিল্পকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।’

অপু বিশ্বাস বলেন, সিনেমার মানুষ হিসেবে শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন তার অন্যতম প্রত্যাশা। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি শক্তিশালী চলচ্চিত্রশিল্প দেশের সংস্কৃতি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বলা ভালো, একাদশ ও দ্বাদশ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হওয়ার জন্য প্রচণ্ড চেষ্টা চালিয়েছেন অপু বিশ্বাস। এরজন্য তুলেছেন মনোনয়নপত্র-ও। যদিও শেষ রায়ে দুই সেশনেই দলীয় সমর্থন মেলেনি তার পক্ষে।