‘বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন, অর্থসহ সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার:মির্জা ফখরুল

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মানিক কুমার স্টাফ রিপোর্টার// সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মামলা জামিনযোগ্য কিনা তা বিবেচনায় না নিয়ে ভিডিও ক্লিপ দেখার সময় নিয়েছে আদালত। এমন মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন, অর্থসহ সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে।শুক্রবার (২১ মে) প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।এসময় মির্জা ফখরুল ইসলাম জানান, গণতন্ত্রের মুখোশ নিয়ে কাজ করছে সরকার। গণতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার। এখন আমলারাও সরকারি দলের নেতা। দেশের সকল মানুষ নির্যাতিত। এই দানব সরকারকে সরাতে হবে। কোভিড দানব গোটা বিশ্বকে তছনছ করে দিয়েছে। আর বর্তমান সরকার পঞ্চাশ বছরের অর্জন ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে৷। আ.লীগের লক্ষ্যই বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দেয়া।তিনি আরো বলেন, পুলিশের রিমান্ডে হেফাজত নেতা ইকবালের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমগুলোতে সেভাবে প্রাধান্য দেয়া হয়নি। লোভের কাছে মাথা নত করলে গণমাধ্যমকে বাঁচানো যাবে না।খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। প্রতিদিন বোর্ড বসে তার চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের চিকিৎসকদের সাথেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। গতকাল চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অক্সিজেন স্যাচুরেশন ভালো হলেও পোস্ট কোভিড পরিস্থিতিতে হার্ট ও কিডনি অ্যাফেক্টেড। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করলেও সরকার তা দেয়নি। ভয়ের একটি মাত্র কারণ জনগণের সত্যিকারের প্রতিনিধি খালেদা জিয়া।এসময় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাজনীতিকদের সাথে আদালত, সাংবাদিক, ও পুলিশেরও গত দশ বছরের দায় নিতে হবে। গণমাধ্যমগুলো বিএনপির প্রতিদিন পোস্টমর্টেম করলেও কখনো সরকারের সমালোচনা করে না।এছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ বলেন, জামিনের বিচারকরা কেন দ্বিধাগ্রস্ত। শেখ হাসিনার নির্দেশেই রোজিনাকে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। সরকার স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতিবাজদের সাথে অবস্থান নিয়েছে। শেখ হাসিনার আমলে একটি দিনও যায়নি যেদিন সাংবাদিকরা জেল খাটেনি। রাষ্ট্রই সাগর-রুনীর হত্যাকারী কারণ তাদের হত্যার রহস্য রাষ্ট্র উদ্ধার করতে পারেনি। শেখ হাসিনার আমলে কোন সরকারি কর্মকর্তার শাস্তি হয়নি।