রাসেল বরিশাল বিভাগীয় সংবাদদাতা // বরিশালে ইউএনও’র বাসায় হামলা ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় চলছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে মামলা ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। শনিবার দুপুরে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
এতে পরিচ্ছন্ন কর্মীরাও অংশগ্রহণ করেন।মানববন্ধনে করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল হাজবুন, রাজস্ব কর্মকর্তা বাবুল হালদার, পরিচ্ছন্ন বিভাগের পরিদর্শক মাসুমসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।এ সময় তারা জানান, হামলার ঘটনায় দুইটি মামলাতেই নগর ভবনের কর্মকর্তা, কাউন্সিলর ও কর্মচারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আতঙ্কে কাজে যোগ দিতে পারছেন না কেউ।শনিবারও নগরের কোথাও থেকে আবর্জনা সরায়নি সিটি কর্পোরেশন।
কর্মচারীরা বলছেন, মামলা প্রত্যাহার না হলে কেউই কাজে ফিরবেন না।সিটি কর্পোরেশনের বক্তারা বলেন, ষড়যন্ত্র করে বরিশালের মেয়রকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ মামলা প্রত্যাহার করা না হলে তারা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবেন।এদিকে, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে হামলা ও পরে পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মামলায় ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার ঘটনার দিন এবং পরের দিন ১৩ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে শনিবার দুপুর পর্যন্ত অভিযানে আরও আটজনকে আটক করা হয়েছে।পুলিশের উপ-কমিশনার আলী আশ্রাফ ভূঁইয়া জানান, ঘটনা তদন্ত করে তারা দোষীদের আইনের আওতায় আনবেন।
এদিকে, গুলিতে আহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি। উল্লেখ্য, বুধবার রাতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ব্যানার খোলাকে কেন্দ্র করে নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে হামলার অভিযোগে সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর গুলি ছোড়ে আনসার সদস্যরা।এতে মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ, প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন সহ ৩০ জন আহত হয়।
পরে সিটি করপোরেশনের কর্মী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাঁধে।এ ঘটনায় পুলিশ ও ইউএনও মুনিবুর রহমান বাদি হয়ে আলাদা দুটি মামলা করে। যাতে ৬০২ জনকে আসামি করা হয়। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে করা হয়েছে প্রধান আসামি।






