একটু ধাক্কা লাগে,দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি এর প্রতিশোধ নিতে তাকে হত্যা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা// শুক্রবার রাত ১২টার দিকে পুরান ঢাকার লালবাগের ডুরী আঙ্গুরী লেনের একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদের টয়লেট থেকে হাফিজের (১৩) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরা হলেন- ইরফান (১৪), ওয়াহিদ (১৪), আরিফ (১৫) ও রিফাত (১৫)।রোববার সন্ধ্যায় লালবাগ বিভাগের পুলিশের উপ-কমিশনার মো. জসীম উদ্দিন মোল্লা বলেন, শনিবার পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

“ইরফান পুলিশকে জানায়, তিন দিন আগে রাস্তায় হাফিজের সঙ্গে তার একটু ধাক্কা লাগে এবং দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।”এর প্রতিশোধ নিতে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে গ্রেপ্তার চারজন পুলিশকে জানায়।পুলিশ কর্মকর্তা জসীম বলেন, চারজনের মধ্যে ওয়াহিদ ও রিফাত রোববার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।যেভাবে হত্যা করা হয় হাফিজকে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানায়, বাজারে হাফিজের সঙ্গে ঝগড়ার পর প্রতিশোধ নিতে ৪০ টাকা করে দুটি ছুরি কিনে ইরফান।

যে ভবনের ছাদের টয়লেট থেকে হাফিজের লাশ উদ্ধার করা হয়, তার পাশের পাঁচতলা ভবন ইরফানদের।জসীম বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী শুক্রবার রাতে হাফিজকে ইরফানদের ভবনের পাঁচতলার ছাদে উঠানো হয়। রিফাত ও ওয়াহিদ মীমাংসার কথা বলে ছাদে উঠায়।“ছাদে উঠানোর পর চারজন মিলে হাফিজের হাত পা রশি দিয়ে বেঁধে জবাই করে হত্যা করে।

হত্যার পর পাশের ভবনের ছাদের একটি টয়লেট লাশ রেখে যে যার মত চলে যায়।”পাশের ওই ভবনের ছাদের কক্ষে ঘুমাতো ওই ভবনের মালিক ও তার স্ত্রী। রাতে ঘুমাতে এসে টয়লেটে লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়।তিনি বলেন, ইরফানের ভবনে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় আর লাশ পাশের ভবনের ছাদের টয়লেটে রাখা হয়।

মৃতদেহ এক ছাদ থেকে আরেক ছাদে নেওয়ার সময় রক্তের চিহ্ন রেখে অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়।নিহতের বাবা হারুন শেখ ভ্যান চালক। তাদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার দক্ষিণ বাড়ির খাল এলাকায়।

ডুরী আঙুরী লেনের সেলিম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতো। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে হাফিজ ছিল ছোট।উপ-কমিশনার ডেইলি বাংলাদেশ টুডে ডটকম কে বলেন, “সবাই সবার পরিচিত। হাফিজ একেক সময় একেক কাজ করত। আর গ্রেপ্তার চারজন তেমন কিছু করতো না।