প্রতীক ‘নৌকা’ না রাখার সিদ্ধান্তের পর এবার আরো কয়েকটি জেলায়, প্রার্থীতা উন্মুক্ত চাইছেন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যরা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি:- তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৮৮টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি প্রতীক ‘নৌকা’ না রাখার সিদ্ধান্তের পর এবার আরো কয়েকটি জেলায়, প্রার্থীতা উন্মুক্ত চাইছেন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যরা।

ডিও লেটার

দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার এলাকাতেও তুলে দেয়া হতে পারে নৌকা প্রতীক। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বলছে, চাইলেই সব জায়গায় বাতিল করা যাবে না নৌকা মার্কা।শরীয়তয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা এবং গোপালগঞ্জের একটি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীতা উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নিজ এলাকার ইউনিয়ন পরিষদে প্রার্থীতা উন্মুক্ত চাইছেন এসব সংসদ সদস্য ও জেলা নেতারা।

নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। আ.লীগের লোকজন আ.লীগের ছবি ভাঙচুর করছে। এই হানাহানি থেকে মুক্তি পাবার ব্যবস্থা করা যায় কি-না? গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরে যদি ওপেন রেখে ভুল না হয় তাহলে আমাদের এখানে ও অন্যান্য জায়গায় কেন ওপেন রাখা হবে না?’বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু জানান, ‘এই যে ব্যক্তিগতভাবে বিদ্রোহী হয় এটা অন্যায়।

এতে পার্টির শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়। বিএনপি যদি নির্বাচন করতো, কিংবা অন্যান্য দল আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয়ভাবে নির্বাচন করতো তাহলে এগুলো সমস্যা হওয়ার কথা না। এখন এই জন্য সমস্যা হচ্ছে। এখন আমরা চাচ্ছি যে এই দলের সিদ্ধান্তটাই মেনে নিতে হবে।’স্থানীয় নেতারা চাইলে দলের প্রার্থীতা উন্মুক্ত করে দেয়া হবে, প্রার্থীতা উন্মুক্ত হতে পারে শেখ হাসিনার নির্বাচনি এলাকার ইউনিয়ন পরিষদেও বলে জানান আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

তিনি বলেন, ‘যেখানে বিএনপি আছে জামায়াত আছে, অন্যান্য দল আছে সেখানে আমরা দিচ্ছিনা। যে সমস্ত জায়গায় আমাদেরই সবকিছু, যে হবে আমাদেরই হবে। সেখানে আমাদের নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে কর্মী সৃষ্টি হবে। স্থানীয়ভাবে চাইলে দিয়ে দেই আমরা।

নেত্রীও ওই লাইনে যাবেন বলে আমার মনে হয়।দলের আরেক সভাপতিমণ্ডলির সদস্য শাজাহান খান জানান, ‘চাইলেই সব জায়গায় বাতিল করা যাবেনা নৌকা প্রতীক। স্থানীয়ভাবে দলের অবস্থান জেনে বুঝেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। দলীয় প্রতীক ও মনোনয়ন নিয়ে বিভিন্ন দেশে কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচন করার সুযোগ আছে।

তবে তা হওয়ার জন্য দলের যে কাঠামো হওয়া দরকার, দলীয় শৃঙ্খলা থাকা দরকার সে পর্যায়ে আমরা এখনো আসতে পারিনি।’নির্বাচনি প্রক্রিয়া যেটাই হোক না কেন, দলের হয়ে জণগনের জন্য কাজ করে যেতে ইউনিয়ন পরিষদ নেতাদের প্রতি আহ্বান কেন্দ্রীয় নেতাদের।