স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি উদযাপন হবে যেভাবে!

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি// স্বাধীনতার ৫০ বছরে ৫০টি জাতীয় পতাকা সংবলিত সুবর্ণজয়ন্তীর র‌্যালি দেশের ৬৪টি জেলা প্রদক্ষিণ করবে। প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ জেলা প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয়ভাবে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ। এর আগে দেশের ২১টি স্থানে হবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আঞ্চলিক সমাবেশ। যা শুরু হচ্ছে শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) থেকে।

আজ শুক্রবার দিনাজপুরে উপ-আঞ্চলিক মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি তথা সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানিয়েছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে এ বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ও ভারত সরকার একযোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যা বন্ধুপ্রতিম এই দুই দেশের মধ্যে আগে কখনও হয়নি।

এবারের বিজয়ের মাসকে স্মরণীয় করে রাখতে ৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে জাতির জনক ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মারক বক্তৃতা’ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানাকে।পাশাপাশি আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে অংশগ্রহণ করবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ।

তিনি ৩ দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন বলেও দিনক্ষণ ঠিক হয়ে আছে। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে ভারতের কোনও রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার-প্রধান অংশ নেননি। সেই বিবেচনায় ভারতের রাষ্ট্রপতির এই বাংলাদেশ সফর হবে নজিরবিহীন।

শুধু তাই নয়, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ২০১৩ সালের মার্চে ঢাকায় এসেছিলেন। এর প্রায় ৯ বছর পর ভারতের রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সফর করছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন আবহে ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উৎসবের পটভূমিতে।

একই সময়ে বাংলাদেশের আমন্ত্রণে ঢাকায় আসছেন ভুটানের সাবেক রাজা জিগমে সিঙ্গে ওয়াংচুক।