পারখু্ঙ পার্বত্য জেলা প্রতিনিধি:- একটি সেতুর অভাবে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার গোমতি ইউনিয়নের ১৩টি গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে।

সেতু না থাকায় শিক্ষাব্যবস্থাসহ সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খালটির ওপর সেতু নির্মাণ করা হলে, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি, কমবে দুর্ভোগ।
মাটিরাঙ্গা উপজেলায় পাহাড়ের পাশ দিয়ে বয়ে চলা গোমতি খাল। খালের ওপর সংযোগ সেতু না থাকায়, ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের ১৩টি গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এতে চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা।
স্থানীয় এক চাষি বলেন, আমরা বাগান করেছি কিন্তু মাল বিক্রি করতে পারিনা নদীর এপারে হওয়ায়। ব্রিজ হলে আমাদের জন্য খুব উপকার হয়।পিছিয়ে আছে গ্রামগুলোর শিক্ষা ব্যবস্থাসহ অন্যান্য উন্নয়ন। খালের পানি বাড়লে এলাকার একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে পারেননা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
এক শিক্ষার্থী বলেন, ব্রিজ না থাকায় অনেক কষ্ট হয়। বেশিরভাগ ছাত্রীই বাজারপাড়ের হাইস্কুলে পড়ে।
এ বিষয়ে গোমতি ইউনিয়নের সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান তফাজ্জল হোসেন জানান, প্রায় ১২ বছর আগে কাঠের পাটাতন দিয়ে সেতু নির্মাণ শুরু হলেও, পাথুরে মাটি খোঁড়া সম্ভব না হওয়ায় বন্ধ করে দেয়া হয় কাজ।মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, সেতু নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে।
আমাদের এমপি মহোদয়ের ডিও লেটার নিয়ে এলজিইডি, উন্নয়ন বোর্ডকেও দিয়েছি। এ ব্যাপারে আমাদের প্রচেষ্টা চলছে।সেতুটি নির্মিত হলে গোমতি সদর ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ সহজ হবে ১৩ গ্রামের বাসিন্দাদের। একইসঙ্গে পর্যটন এলাকা হাতিমাথা পাহাড়ে যাওয়া যাবে সহজেই।







