ফরিদুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার// পর্যটন ভিসায় চীনে গিয়ে কিছুদিন থাকার পর দেশে ফিরে চিকিৎসক বনে যাওয়া মাহমুদুল চিকিৎসা জালিয়াতিতে অভিযুক্ত হয়ে এখন কারাগারে।মাহমুদুল হাসান পর্যটন ভিসায় গিয়েছিলেন চীনে।
সেখানে কিছুদিন থাকার পর দেশে ফিরে বনে যান চিকিৎসক। ফিরে এসে জানান সেখানে চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়ালেখা করেছেন তিনি। চীনের তাঈশান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস কোর্স সম্পন্ন করার কথাও জানান মাহমুদুল।
দেশে ফিরে নেন চিকিৎসক হিসেবে নিবন্ধন নম্বর। মাহমুদুলসহ এ রকম নম্বর রয়েছে আরও ১১ জনের। তারা দেশের কয়েকটি মেডিক্যাল কলেজে ইন্টার্ন করার পাশাপাশি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত হন।
কিছুদিন পর সন্দেহ হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয় চীনের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে। সেখান থেকে জানানো হয় এসব সনদ ভুয়া।এমন ভয়ঙ্কর জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ার পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে মাহমুদুল হাসান নামে এই যুবককে।
তার মতো আরও ১১ জনকেও গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এসব জালিয়াতির কাজে সহায়তা করেন বিএমঅ্যান্ডডিসির দু’জন কর্মকর্তা। ঘটনায় মামলা করে দুদক।
সোমবার মামলার অন্যতম আসামি মাহমুদুল হাইকোর্টে আগাম জামিন নিতে আসলে, তা নামঞ্জুর করে তাকে, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অন্যদের গ্রেপ্তারের জন্য দুদক, পুলিশ ও র্যাবকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।







