Jashore , Wednesday, 28 October 2026
সর্বশেষ:
বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে যশোরে এনডিএফ’র বিক্ষোভ ও সমাবেশ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ পল্টনে সিপিবি কার্যালয়ে হামলা ও অবরুদ্ধ করার ঘটনায় গণসংহতি আন্দোলনের নিন্দা যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ ‘বিগ বি’ উদ্যোগ যৌথভাবে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ-জাপান একমত সকালে প্রভাতী ট্রেন চালুসহ ৬ দফা দাবিতে রেলপথমন্ত্রীকে যশোর সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি যশোরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ এর মার্শাল আর্ট ইভেন্টে পৌরসভা দল বাছাই সম্পন্ন যশোরে গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন যশোরে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ সফল করতে এনসিপির লিফলেট বিতরণ আইডিইএক্স ২০২৭-এ অংশ নিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ

ইসি নিয়োগ বিল সংসদে উত্থাপন

মানিক মিয়া স্টাফ রিপোর্টার:- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

পাঁচদিন বিরতির পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপিত্বতে বেলা ১১ টায় শুরু হয় জাতীয় সংসদের ১৬ তম অধিবেশন। সীমিত সংখ্যক সদস্যদের উপস্থিতে প্রায় ১ ঘন্টা চলে এই অধিবেশন।

অধিবেশনে সংবিধানের ১১৮ এর ১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী। আইনটিতে সার্চ কমিটির বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। জানান, আইনটিতে অনুসন্ধান কমিটির স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বিষয়ে যথাযথভাবে উল্লেখ করা আছে।

এই আইন পাশ হলে বিএনপি ভোট চুরি করতে পারবে বলেই আইনটির বিরোধিতা করছে বলে জানান আইনমন্ত্রী। আইনটি না পড়ে না বুঝে অনেকেই মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।এদিকে বিলটি অসঙ্গতিপূর্ণ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন উর রশিদ।

চলতি অধিবেশনেই আইনটি পাস হতে পারে। রীতি অনুসারে বিলটি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য বিলটি আনা হচ্ছে।

এর আগে গত ১৭ই জানুয়ারি ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।সংবিধানে সুস্পষ্ট একটি অনুচ্ছেদ থাকার পরও কোনো সরকারই আইন করার উদ্যোগ নেয়নি। সম্প্রতি সুশীলসমাজসহ বিভিন্ন ফোরাম থেকে আইনটি প্রণয়নের দাবি জোরদার হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন ছাড়াও দেশের বিশিষ্টজনেরাও ইসি গঠনে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান।

নতুন ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গত বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে এ বছরের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত যেই ২৫টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন, তাতেও বেশির ভাগ দল আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে।কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ১৪ই ফেব্রুয়ারি।

তার আগেই নতুন কমিশন গঠন করতে হবে রাষ্ট্রপতিকে। সেক্ষেত্রে আইনটি সংসদে তোলা থেকে পাস করে গেজেট প্রকাশের জন্য হাতে সময় রয়েছে চার সপ্তাহ। নতুন কমিশন এই আইনের অধীনেই গঠন করার চিন্তা করছে সরকার।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 01:58 pm, Sunday, 23 January 2022
26 Time View

ইসি নিয়োগ বিল সংসদে উত্থাপন

Update Time : 01:58 pm, Sunday, 23 January 2022

মানিক মিয়া স্টাফ রিপোর্টার:- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

পাঁচদিন বিরতির পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপিত্বতে বেলা ১১ টায় শুরু হয় জাতীয় সংসদের ১৬ তম অধিবেশন। সীমিত সংখ্যক সদস্যদের উপস্থিতে প্রায় ১ ঘন্টা চলে এই অধিবেশন।

অধিবেশনে সংবিধানের ১১৮ এর ১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী। আইনটিতে সার্চ কমিটির বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। জানান, আইনটিতে অনুসন্ধান কমিটির স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বিষয়ে যথাযথভাবে উল্লেখ করা আছে।

এই আইন পাশ হলে বিএনপি ভোট চুরি করতে পারবে বলেই আইনটির বিরোধিতা করছে বলে জানান আইনমন্ত্রী। আইনটি না পড়ে না বুঝে অনেকেই মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।এদিকে বিলটি অসঙ্গতিপূর্ণ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন উর রশিদ।

চলতি অধিবেশনেই আইনটি পাস হতে পারে। রীতি অনুসারে বিলটি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য বিলটি আনা হচ্ছে।

এর আগে গত ১৭ই জানুয়ারি ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।সংবিধানে সুস্পষ্ট একটি অনুচ্ছেদ থাকার পরও কোনো সরকারই আইন করার উদ্যোগ নেয়নি। সম্প্রতি সুশীলসমাজসহ বিভিন্ন ফোরাম থেকে আইনটি প্রণয়নের দাবি জোরদার হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন ছাড়াও দেশের বিশিষ্টজনেরাও ইসি গঠনে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান।

নতুন ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গত বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে এ বছরের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত যেই ২৫টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন, তাতেও বেশির ভাগ দল আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে।কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ১৪ই ফেব্রুয়ারি।

তার আগেই নতুন কমিশন গঠন করতে হবে রাষ্ট্রপতিকে। সেক্ষেত্রে আইনটি সংসদে তোলা থেকে পাস করে গেজেট প্রকাশের জন্য হাতে সময় রয়েছে চার সপ্তাহ। নতুন কমিশন এই আইনের অধীনেই গঠন করার চিন্তা করছে সরকার।