মানিক মিয়া স্টাফ রিপোর্টার:- ভারতীয় এক মহিলার সঙ্গে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের সচিব মুহাম্মদ সানিউল কাদেরের বেশ কিছু অশ্লীল চ্যাটিং ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে সরকার।
এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হলে ওই কূটনীতিককে দেশে ফিরিয়ে আনে বাংলাদেশ ।ভারতের বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে শনিবার বলা হয়, ভারতীয় এক মহিলার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সচিব মুহাম্মদ সানিউল কাদেরের বেশ কিছু অশ্লীল চ্যাটিং ও ভিডিও।
এই ঘটনাকে ঘিরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অবশেষে ওই কূটনীতিককে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মুহাম্মদ সানিউল কাদের কলকাতায় বাংলাদেশের উপ হাই কমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সানিউল কাদের এক ভারতীয় মহিলার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন। ওই মহিলার সঙ্গে তিনি নগ্ন ভিডিও চ্যাটিং-ও করতেন। সম্প্রতি ওই মহিলা ডেপুটি হাই কমিশনে প্রমাণসহ অভিযোগ করেন।
এ পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও গণমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপক প্রচার পায় ও আলোচনার চলে আসে। তাতেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনের কর্মকর্তারা যথেষ্ট বিব্রত হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার রাতে সানিউল কাদেরকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা ত্যাগ করে ঢাকায় রিপোর্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভারতীয় মহিলার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
বুধবার দুপুর ১২টা ১০মিনিটে ভারত থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যান সানিউল কাদের। বৈধ পাসপোর্টে সানিউল কাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন বলে নিশ্চিত করেন ইমিগ্রেশন ওসি রাজু আহম্মেদ। বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এলাকায় স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কর্মীরা সানিউল কাদেরকে আকস্মিক ভারত ত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুখ খোলেননি তিনি।
একটি প্রাইভেটকারে দ্রুত ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে প্রথম সচিব হিসেবে যোগ দেন সানিউল কাদের। তিনি বিসিএস প্রশাসন (সাবেক ইকোনমিক) ক্যাডারের কর্মকর্তা।







