শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম চবি উপাচার্যের পিএসসহ ২ জন বরখাস্ত

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ওসামম চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংবাদদাতা:- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপাচার্যের পিএস খালেদ মিসবাহুল মোকর রবীন ও কর্মচারী আহমেদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান।এসময় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বলেন, তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগে তাদের শোকজ করা হয়। তারা শোকজের জবাব দিয়েছেন।

বিষয়টির এখনও তদন্ত চলছে।এর আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে প্রভাষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত পাঁচটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। এরমধ্যে একটি ফোনালাপে প্রভাষক পদের এক প্রার্থীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পিএস এর এবং অপরটি চাকরি প্রার্থীর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারীর।

৩ শ্রেণির চাকরির জন্য দিতে হবে ১০ হবে ১২ লাখ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে লাগবে ৮ লাখ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা হতে প্রয়োজন ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা। আর শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের সবোর্চ্চ সম্মানের পদ তাই ১৬ লাখের কমে হবে না।’ ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে এসব কথোপকথন ফাঁস হয়।

ফোনালাপ ফাঁসের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান দু’জনের নামেই মামলা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে সিলেকশন বোর্ডে বিভাগ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ শিক্ষক না রাখা, আবেদনের সময় স্বল্পতা, কয়েকজন আবেদনকারীকে পরীক্ষার জন্য না ডাকা, প্রবেশপত্র ছাড়াই পরীক্ষায় অংশ নেয়াসহ নানা অভিযোগ ছিল শুরু থেকে।

সবশেষ উচ্চ আদালতের রুল নিস্পত্তি না করেই গত বছরের ১৪ই নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এ নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা।