আন্তর্জাতিক সংবাদ// ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনার সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিয়েভ ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে রাশিয়া। রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার দাবি করেছে দেশটির উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়া।

তবে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়ার নজর ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের ওপর। শনিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চলীয় দোনবাস ও দক্ষিণাঞ্চল দখলে নিতে চায় রুশ সেনারা। তবে ইউক্রেনের ভুখণ্ড, স্বাধীনতা ও মানুষকে রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য।প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির মত একই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। শনিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জানানো হয়, সপ্তাহ খানেক আগে থেকেই রাশিয়া পূর্ব ইউক্রেনে বিমান হামলা বাড়িয়েছে।এদিকে, কিয়েভ ও তার আশেপাশের এলাকা থেকে রুশ সেনারা সরে যাওয়ার পরপরই যুদ্ধের ভয়াবহতা সামনে আসছে। রাজধানীর উপকন্ঠে বুচা শহরটি প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রুশ সেনাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।সেনা প্রত্যাহারের পর শহরের রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় মরদেহ। নারী ও শিশুসহ কয়েকশ মরদেহ সৎকারে খোঁড়া হয়েছে গণকবর। শহর জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিধ্বস্ত ট্যাংক। বিধ্বস্ত হয়েছে অনেক আবাসিক ভবনও।বুচার মেয়র আনতোলি ফেডোরুক বলেন, বুচায় এরইমধ্যে প্রায় তিনশ জনকে গণকবর দেয়া হয়েছে। এছাড়া রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মরদেহ। এদের বেশিরভাগেরই মাথায় পেছন থেকে গুলি করা হয়েছে। এদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।কিয়েভ ও তার আশপাশ থেকে যুদ্ধের তীব্রতা কমানো হলেও হামলা অব্যাহত আছে অন্যান্য শহরে। এমনকি ইউক্রেনের জাপোরেশিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে সিরিজ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। শনিবার নিজেদের অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেয়া এক পোস্টে দেশটির রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা এনারগোঅটম জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে এনেরহোদর শহরে এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।




