খালেকুজ্জামান লাল জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট :– লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে কোটি টাকার ওষুধের হিসেবে গড়মিল ও মাটির নিচ থেকে সরকারি ওষুধ উদ্ধারের পর, এবার তড়িঘড়ি করে ৮ কোটি টাকার টেন্ডারে কার্যাদেশ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
বিষয়টিতে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওষুধ কিংবা মেডিক্যাল সরঞ্জাম সরবরাহ না করে কাগজপত্রে দেখিয়ে অর্থ লোপাটের প্রক্রিয়া এটি।লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল ৫০ থেকে ১শ শয্যায় উন্নীত হয় ২০১৫ সালে। বর্তমানে আড়াইশ শয্যায় উন্নীত করতে ভবন তৈরির কাজ প্রায় শেষ। হাসপাতালটির শয্যা ও জনবলের সঙ্গে বেড়েছে অনিয়মও।
বাড়েনি সেবার মান। প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকার ওষুধ ও মেডিক্যাল সরঞ্জাম বরাদ্দ থাকলেও, সেই সেবা পায় না রোগীরা।২০২০ সালে সরকারি বিপুল ওষুধ উদ্ধার হয় একটি বাড়ি ও মাটির নিচ থেকে। এর আগের বছর সদর হাসপাতালের স্টোরের ওষুধের হিসেবে ধরা পড়ে কোটি টাকার গড়মিল। দুই দফায় ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় আদিতমারী, কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সিভিল সার্জন অফিসের স্টোর কিপারসহ মামলা হয় ছয়জনের বিরুদ্ধে। আর ওষুধের হিসেবের গড়মিলে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয় সদর হাসপাতালের স্টোর কিপার সাহেদুল হক ছোটনকে।এরপর কেটে গেছে তিন বছর, শেষ হয়নি তদন্ত।
উল্টো পদোন্নতি পেয়েছেন কেউ, কেউ স্বেচ্ছায় নিয়েছেন অবসর। আর এবার সদর হাসপাতালের ৮ কোটি টাকার টেন্ডারের খবরে বইছে সমালোচনার ঝড়। অভিযুক্তরা বার বার পার পেয়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগের অনিয়ম চরম আকার ধারণ করেছে বলে জানান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। অনিয়মের অভিযোগের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক।




