মানিক মিয়া স্টাফ রিপোর্টার:- ঈদ সামনে রেখে সপ্তাহখানেক ধরে বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট চলছিল। ঈদের পরে সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
ঢাকা ও চট্টগ্রামের খুচরা বাজারের পাশাপাশি গ্রামগঞ্জেও সয়াবিন তেলের তীব্র সংকটের চিত্র দেখেছেন সবাই । বাজারে এমন তীব্র সংকটের সময় নতুন করে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন মিলমালিকেরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার বাণিজ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩৮ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মিলমালিকেরা। আর খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয় লিটারে ৪৪ টাকা।
বাড়ানো হয়েছে পাম তেলের দামও।বিশ্ববাজারে অস্থিরতার কারণে দুই মাস ধরে সয়াবিন ও পাম তেলের আমদানি কমে আসছিল। আবার ঈদের পর দাম বাড়ানো হবে—এমন ঘোষণায় বাজারে সয়াবিন ও পাম তেলের তীব্র সংকট তৈরি হয়।
কারণ, দাম বাড়লে তাতে পুরোনো দামে কেনা সয়াবিন তেল বাড়তি দামে বিক্রি করা যাবে—এমন আশায় পরিবেশক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের অনেকে তেল লুকিয়ে রেখেছিলেন। দাম বাড়ানোর কারণে লুকিয়ে রাখা এসব তেল বাজারে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে আমদানির ঋণপত্র খোলার হার না বাড়ালে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।জানতে চাইলে দেশে ভোজ্যতেলের শীর্ষস্থানীয় আমদানিকারক টি কে গ্রুপের পরিচালক মোস্তফা হায়দার গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ভোজ্যতেলের সংকট কাটাতে এখন একমাত্র উপায় আমদানি বাড়ানো। সেই সঙ্গে বাজারে সরবরাহ বাড়াতে হবে। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্ট সব মহলের সমন্বিত উদ্যোগ দরকার।







