অনলাইন ডেস্ক:– অ্যান্টিগান শো কয়েকশো দিন চলতে থাকে। যখন সরকার পতনের পরে ৯ বছর বয়সে মুসলমানদের পরিবর্তন, দেশগুলি অবরুদ্ধ এবং ধর্মনিরপেক্ষ কর্তৃপক্ষকে। পাঁচটিরও বেশি কারণ মারা গেছে, তবে তারা বলেনি যে তারা অভিযোগ সংগ্রহের আগে তারা রাস্তা ছাড়বে না। বিবিসি গল্প।

বক্তাদের মধ্যে ৫০০ এরও বেশি লোককে হত্যা করেছে; মানবাধিকার (হেডেনা) পৌঁছানোর লোকদের জন্য গল্পের কাজ জানিয়েছে যে পাঁচটি শিশু রয়েছে। ইরানি আদালত ইতিমধ্যে শাস্তি হিসাবে জরিমানা হিসাবে নেওয়া হয়েছে। একটি ফলাফল প্রায় ২০ জনেরও বেশি লোক, হাদানা জানিয়েছেন। অ্যামনেস্টি এই পরীক্ষাটিকে “মজাদার” হিসাবে বর্ণনা করে।এর আগে ইরানে দেশটিতে বিক্ষোভ হয়েছে।২০১৭ সালে শুরু হওয়া একটি আন্দোলন ২০১৮ সালের প্রথম দিকে শেষ হয়। তারপর ২০১৯ সালের নভেম্বরে দেশে আরেকটি আন্দোলন হয়। কিন্তু বর্তমান আন্দোলনের প্রকৃতি ও শক্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন। নারী ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন। দেশের নারীরা গান গেয়েছেন ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা।
দেশের কিছু সেলিব্রিটিও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন। এ কারণে অনেককে গ্রেফতার ও নির্বাসিত করা হয়।ইরানের বিখ্যাত অভিনেত্রী তারানেহ আলিদোস্তি এক তরুণ বিক্ষোভকারীকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন। এই কারণে, তিনি বিখ্যাত ইভিন কারাগারে বন্দী ছিলেন। তারানেহ মাথার স্কার্ফ ছাড়া নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন। এই ছবিতে বিক্ষোভকারীদের সমর্থন এবং তাদের কথার চিহ্নও রয়েছে।তারানেহের অস্কার বিজয়ী ছবি “দ্য সেলসম্যান” এর পরিচালক আসগর ফরহাদি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন, “আমি তারানেহের সাথে চারটি ছবিতে কাজ করেছি।” কিন্তু এখন তিনি তার দেশবাসীর পক্ষে দাঁড়ানো এবং প্রতারণামূলক আদালতে মানুষ হত্যার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করার জন্য কারাগারে রয়েছেন। সমর্থন দেওয়া যদি অপরাধ হয়, তাহলে ইরানের ১০ কোটি মানুষ এখন অপরাধী।
আরেক বিশিষ্ট ইরানী অভিনেত্রী পেগাহ আহাঙ্গারানি দেশ ছেড়েছেন। তিনি বিবিসিকে বলেন, উভয় পক্ষই এখন উগ্রপন্থায় উৎসাহী। আন্দোলনকারীদের দমনে চরমপন্থায় রয়েছে সরকার। তবে ইরান অবশ্যই প্রাক-মাহসা আমিনী যুগে ফিরে যেতে পারে না।
সরকারবিরোধী আন্দোলনে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে গত ১০ ডিসেম্বর ইরানে রুহুল্লাহ জামের নামক এক সাংবাদিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। এর দুইদন পর (১২ ডিসেম্বর) সকালে ‘সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িত’ থাকার দায়ে মজিদ রেজা নামের এক যুবককে জনসম্মুখে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত ১৩ সেপ্টেম্বর হিজাব ভালোভাবে না পরার অপরাধে আটক করা হয় মাহশা আমিনীকে নামের ইরানী এক তরুণীকে।
এর তিনদিন পর মৃত্যু হয় মাহশার। মাহশার পরিবারের দাবি ছিল, তাকে মাথায় ও ঘাড়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ দাবি নাকচ করে দেয় প্রশাসন।







