দৌলতপুরে মেম্বারের বিরুদ্ধে আবাদী জমি কেটে বালি বিক্রির অভিযোগ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:- কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসলাম উদ্দিন (৪৫) জামালপুর গ্রামের খেড়ের মাঠের খাস জমি স্কেভেটর মেশিন দিয়ে কেটে বালি বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মেশিন দিয়ে জমি কেটে ফিলিং বালি বিক্রি দ্রæত বন্ধের জন্য এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার ভূমি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, উপজেলার ১নং প্রাগপুর ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসলাম উদ্দিন জামালপুর গ্রামের খেড়ের মাঠের খাস জমি থেকে দীর্ঘ দিন যাবৎ স্কেভেটর দিয়ে বালি কেটে বিক্রি করে আসছে। সেই বালি উপজেলার মথুরাপুর, আড়িয়া, বোয়ালিয়া আদাবাড়ীয়া, প্রাগপুর সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রলি এসে ৫’শ টাকা ট্রলি হিসেবে ফিলিং বালি ভর্তি করে নিয়ে যায় তার কাছ থেকে।

সেই ফিলিং বালি ট্রলি মালিকরা অনত্র নিয়ে ১২’শ থেকে ১৫’শ টাকা কনট্টাকে বিক্রি করে থাকে। এভাবে ১০/১২ বিঘা জমি ৩০” ফিট এর উর্দ্ধে খনন করে বালি বিক্রি করে আবাদী জমিকে নদীতে পরিনত করেছে সে। অভিযোগে আরো উল্লেখ্য আছে, আসলাম উদ্দিন মেম্বার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাইনা। গত বুধবার বীর মুক্তিযাদ্ধা রফিজ উদ্দিন তাকে বালি কাটার ব্যাপারে বলতে গেলে তাকেও অপমান করে তাড়িয়ে দেয় ইউপি সদস্য আসলাম। অভিযোগের প্ররিপ্রেক্ষিতে ইতিপূর্বে উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার ভূমি অভিযান পরিচালনা করে জেল জরিমানা করলে কিছু দিন বন্ধ থাকার পর আবার তারা বালি কাটার কারবার শুরু করে দেয় ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জামালপুর গ্রামের খেড়ের মাঠ নদীতে পরিনত হয়েছে। যার ফলে আশে পাশের আবাদী জমিসহ বসতভিটাও ভেঙ্গে যাচ্ছে। এব্যাপারে গত সপ্তাহে আবাদি জমি ও বসতভিটার মালিক নিজাম উদ্দিন, সইর উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন সহ ১০/১২ জন প্রতিকার চেয়ে উক্ত ১নং প্রাগপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান এর সুপারিশকৃত অভিযোগপত্র দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী। অভিযোগের ব্যাপারে ইউপি সদস্য আসলাম উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারি কাজের জন্য পুকুর কখন করে মাটি ও ফিলিং বালি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, মাটি কিংবা বালি আমি বিক্রি করিনি বলে জানান তিনি।

এবিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শাহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও তহশিলদারের মাধ্যমে আসলাম উদ্দিন মেম্বর কে বালি তুলে বিক্রি না করার জন্য বলা হয়েছে, পুনরায় কোন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।