অনলাইন ডেস্ক:- রাজনীতি ও মতাদর্শ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান থাকলেও দেশের উন্নয়ন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে কোনো বিভাজন হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বুধবার দুপুরে দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে স্মার্ট চিলড্রেন কার্নিভ্যাল ২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, রাজনৈতিক আর গণতান্ত্রিক মতাদর্শের ভিন্নতা থাকতেই পারে। কিন্তু দেশের উন্নয়নের প্রতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নে কোনো বিভাজন থাকতে পারে না।
দেশের চলমান উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে দলমত নির্বিশেষে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তিনি বলেন, এমন কিছু করা উচিত হবে না যার ফলে দেশ ও জনগণ আবারো পিছিয়ে পড়ে। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। পরমত সহিষ্ণুতা ও পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসকে পুঁজি করে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।
রাষ্ট্রপ্রধান শিশুদেরকে আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশের দক্ষ, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক দেশপ্রেমিক ও ‘স্মার্ট নাগরিক’ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার তাগিদ দেন। পাশাপাশি শিশুদের জন্য নতুন খেলার মাঠ তৈরিতে জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান।
এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুযোগ কাজে লাগিয়েই ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি হবে।
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে রাষ্ট্র প্রধান বলেন, এখন আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা যেখানে সব ধরনের কাজ, সেবা, আর ব্যবস্থাপনা বিশ্বমানের ও স্মার্ট প্রযুক্তি নির্ভর।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সময়ো পযোগী জ্ঞান আহরণ এবং সেটা হাতে কলমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করার উপদেশ দেন রাষ্ট্রপতি।তোমাদের এখন থেকেই শিখতে হবে হতে হবে অপ্রতিরোধ্য। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে তিনি যোগ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিনে তাকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি এবং এই মাহেন্দ্রক্ষণে দেশের সকল শিশু-কিশোরকে আন্তরিক স্নেহ-ও শুভেচ্ছা জানান।রাষ্ট্রপতি স্থানীয় জন প্রতিনিধিদেরকে শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় খেলার মাঠের ব্যবস্থা করার ও আহ্বান জানান।
তিনি শিশু-কিশোরদেরকে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি বাইরের অনেক কিছু নিয়ে লেখাপড়া করে নিজ নিজ জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করার পথের জোর দেন।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রনজিত কুমার।
এছাড়াও বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এবং শিশু – সুমাইয়া আক্তার রুমি এবং মো. রেজওয়ান মাহবুব নেহাল-স্মার্ট চিলড্রেন কার্নিভ্যাল ২০২৩ এ উপস্থিত ছিলেন।







