মা-মেয়ের আত্মহত্যা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

যশোরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মা-মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার (২৫ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার চুড়ামনকাটির পোলতাডাঙ্গা শ্মশানঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

যশোর রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিতোষ বিশ্বাস তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন- যশোর সদর উপজেলার বড় হৈবতপুর গ্রামের লাকি বেগম ও তার মেয়ে সুমাইয়া খাতুন মিম।

তিনি বলেন, ট্রেনে কাটা মা-মেয়ের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। তবে কী কারণে মেয়েকে নিয়ে ওই নারী আত্মহত্যা করলেন তা এখনো জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকাল ৩টার দিকে লাকি বেগম তার মেয়ে মিমকে সঙ্গে নিয়ে চুড়ামনকাটির পোলতাডাঙ্গা শ্মশানঘাট এলাকার রেললাইনের কাছে আসেন। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাচ্ছিল। মেয়েকে নিয়ে লাকি বেগম এই ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন।

প্রত্যক্ষদর্শী চুড়ামনকাটির পোলতাডাঙ্গা এলাকার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিকেলে লাকি বেগম তার মেয়েকে নিয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। ট্রেনটি চলে যাওয়ার পর মরদেহ দুটি পড়ে থাকতে দেখি।

নিহতের ছোট বোন রোজিনা খাতুন বলেন, আমি জানতাম আপা সকালে ডাক্তার দেখাতে যশোর শহরে গেছেন। পরে বোনের মোবাইল থেকে ফোন করে জানানো হয়, তারা ট্রেনে কেটে মারা গেছে। তবে কী কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে তা জানি না।

তিনি বলেন, বোনের দুই জায়গায় বিয়ে হয়েছিল। দুই সংসারই ভেঙে গেছে। তিনি মেয়েকে নিয়ে সাতমাইল এলাকায় ভাড়া থাকতেন।স্থানীয় সাজিয়ালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সেলিম হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কী কারণে তারা আত্মহত্যা করেছেন তা এখনো জানা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, মরদেহের পাশে একটি কেক, মোবাইল ফোন ও দুটি ভ্যানিটি ব্যাগ পাওয়া গেছে। মরদেহ দুটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।