যশোর বিরল প্রজাতির গন্ধগোকুল উদ্ধার

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

শাহাবুদ্দিন যশোর জেলা প্রতিনিধি:- যশোর সদর উপজেলার মধুগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিরল প্রজাতির গন্ধগোকুল উদ্ধার কওে এলাকাবাসী।

(১৩ নভেম্বর ) শুক্রবার সকাল দশটায় এলাকাবাসী বনবিভাগকে অবহিত করলে গন্ধগোকুলটি উদ্ধার ও অবমুক্ত করে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

মধুগ্রাম সংলগ্ন বাহাদুরপুর গ্রামীণ বনে ১৫ বছর আগেও গন্ধগোকুল সহ নানা ধরণের বিরল ও বিপদাপন্ন প্রাণী পাওয়া গেলেও এখন আর যায় না।

যশোর জেলা বনবিভাগের ফরেস্টার রথিন্দ্র কুমার বিশ্বাস ও হারুন অর রশিদ এবং রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও আলোকচিত্রী মোফরাদ হোসেন অলিন্দ গন্ধগোকুল উদ্ধার করে ভৈরব নদীর তীরে বাহাদুরপুর গ্রামীন বনে অবমুক্ত করেন।রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোফরাদ হোসেন অলিন্দ বলেন, কৃষিকাজে গন্ধগোকুল খুবই উপকারী প্রাণী।

এটা পরিবেশের সাথে যেন মিশে যেতে পারে সেজন্য আমরা উদ্ধার করে গ্রামীণ বনে অবমুক্ত করেছি কারণ এটি গ্রামীণ বনে বসবাসের উপযোগী। আমার বন্ধু দেলোয়ার হোসেন সবুজের মাধ্যমে এই সংবাদটি পাওয়ার পরে আমি বনবিভাগকে জানালে তাদের সহয়তায় গন্ধগোকুলটি অবমুক্ত করি।

যশোর জেলা ফরেস্টার মামুন অর রশিদ বলেন, গন্ধগোকুল অন্য প্রাণীকে ক্ষতি করে না, আগে এদেশে অনেক দেখা গেলেও এখন বিপদাপন্ন প্রাণীর তালিকায় আছে। সবাইকে অনুরোধ করি যেন প্রাণীটি হত্যা না করে।

গন্ধগোকুল নামক স্বভাবে শান্ত এই প্রাণিটি সাধারনত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে বেশি দেখা যায়। ইঁদুর ও ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় মেরে কৃষককে সহায়তা করে।স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন জীবন জানান, ১০ বছর পূর্বেও এ অঞ্চলে গন্ধগোকুল দেখা গেলেও এখন আর দেখা যায়না।

বাহাদুরপুর গ্রামীণ বনে বিরল অনেক প্রাণীকে এখন আর দেখা যায় না।উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এই প্রাণিটি সংরক্ষিত।