স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
যশোরের সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন গাছসহ জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সলেমান দফাদার ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেছে যে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের গুঞ্জনের সুযোগ নিয়ে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সম্প্রতি সলেমান দফাদারের নেতৃত্বে মফিজ, বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা আমিন উদ্দিন এবং বিএনপি নেতা শাহিনুর মোড়ল ফরিদপুর গ্রামের হিন্দু পাড়ায় অবস্থিত ওই জমিতে গিয়ে তিনটি গাছ কেটে ফেলেন। এ সময় থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব মহাসিন আলীসহ স্থানীয়রা বাধা দিলে তারা কাটা গাছগুলো নিতে পারেননি। গাছগুলো এখনো জমিতেই পড়ে আছে।
প্রভাস সরকার নামে ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য জানান, মাত্র ৫ শতক এই জমি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে তাদের ভোগদখলে রয়েছে। অথচ সলেমান দফাদারের নামে এই জমির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা দলিল নেই। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সলেমান দফাদারের উস্কানিতে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা আমির আলী ও শাহআলম সাগরের উপস্থিতিতে গাছগুলো কাটা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের গুঞ্জন ও রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সম্ভাবনার পর থেকেই সলেমান দফাদার ও তার দলবল এই জমি দখলের চেষ্টায় নেমেছে। সংখ্যালঘু হওয়ায় ভুক্তভোগীরা প্রাণভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে সলেমান দফাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তারা যে অভিযোগ করছে সেটি মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ওই জমি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। এতদিন তারা দখল করে রেখেছিল। জমি মাপার পরে আমরা জানতে পারি আমাদের জমি তাদের ভিতরে চলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।”




