গোপালগঞ্জে নিহত ৫; আটক ৪৫

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ ঘিরে গোপালগঞ্জে সহিংসতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৪৫ জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মো. সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আটকদের থানায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৫ জন ও রাতভর অভিযান চালিয়ে আরও ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।”

পুলিশ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার খাটিয়াগড় চরপাড়ায় পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। গোপীনাথপুর ফাঁড়ির পরিদর্শক আহমদ বিশ্বাস বাদী হয়ে এ মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের গোপালগঞ্জ জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৪০০–৫০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হবে।

এদিকে সহিংস ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ জনে।

আটকদের এখনও আদালতে হাজির না করার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, “দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের আদালতে তোলা হবে।” মামলার বিষয়ে তিনি জানান, “ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গত বুধবার গোপালগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি পোড়ানো ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত ও অন্তত ৫০ জন আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতেই গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিভাগের কমিশনার সরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক বৈঠকের পর কারফিউর সময় বাড়িয়ে আজ শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত বলবৎ রাখা হয় এবং বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আংশিক শিথিল করা হয়।