মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্ত: তদন্তে সহায়তা করবে চীন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি চীনের তৈরি ছিল। ওই বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করার জন্য চীন সহযোগিতা করবে। দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে চীনের টেকনিশিয়ান ও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ আয়োজিত ডিক্যাব টকে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে চীন সর্বতভাবে সহায়তা করবে। চীন মনে করে, এই দুর্ঘটনার সামগ্রিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।

চীনের বিমানের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইয়াও ওয়েন জানান, গত অনেকবছর ধরে এটি ব্যবহার করছে বাংলাদেশ। তদন্ত করার আগে কোনও ধরনের সিদ্ধান্তে পৌছানো ঠিক হবে না।

চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা

গত জুনে চীনের কুনমিংয়ে চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা আলোচনা হয়। ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগটি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করে নিয়েছে চীন। এর উদ্দেশ্য হলো, এই তিনটি দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করা, যাতে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়।

তিন দেশের বৈঠক সফল হয়েছে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ওই বৈঠকে চারটি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। প্রথমটি হলো, ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার নীতি কী হবে। নীতিগুলো হলো, সুপ্রতিবেশীসুলভ মনোভাব এবং বন্ধুত্ব, সমতা ও পারস্পরিক বিশ্বাস। দ্বিতীয় সমঝোতা হলো, ১২টি ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে সহযোগিতার জন্য। এরমধ্যে রয়েছে– কানেক্টিভিটি, অবকাঠামো, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সহযোগিতা এবং আরও বিষয়। তৃতীয় সমঝোতা হলো– মহাপরিচালক স্তরে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করা এবং চতুর্থ সমঝোতা হলো, ওই সহযোগিতা বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা ও উন্মুক্ত আঞ্চলিকতার ওপর ভিত্তি করে হবে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিকদের আমরা বেইজিংয়ে ব্রিফ করেছি। তাদের কাছ থেকে আমরা উৎসাহ পেয়েছি। তারা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। আমরা এমন কিছু সাজেশন্স পেয়েছি, দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ এর অংশীদার হতে চায়।

কোন কোন দেশ অংশীদার হতে চায় জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত কোনও নাম বলতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ত্রিপক্ষীয় আলোচনাই শেষ নয়। আমরা আরও কয়েকটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশকে এতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি।