ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে বাংলাদেশ?

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। এশিয়া কাপে এবারের দুই লড়াইতেও মাঠে ও মাঠের বাইরে উত্তাপ ছিল তীব্র। এমনকি ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বলেছিলেন, পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াই আর দ্বৈরথ নয়, কারণ সাম্প্রতিক মুখোমুখি পরিসংখ্যানে তাদের আধিপত্য স্পষ্ট। তবে অনেকে মনে করছেন, সম্পর্কের টানাপোড়েন ও বাড়তি আবেগ না থাকলে হয়তো এমন বক্তব্য দিতেন না ভারতীয় অধিনায়ক।

প্রশ্ন হলো, ভারতের জন্য আদৌ কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী আছে? ২০২৪ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে ভারত, হেরেছে মাত্র ৩টি। প্রতিভার সঙ্গে এখন মিশেছে সঠিক মানসিকতাও। ধীরগতির দুবাইয়ের উইকেটে তারা এক ফ্রন্টলাইন পেসার নিয়েই খেলছে, যিনি পাওয়ারপ্লেতে তিন ওভার বল করে ম্যাচ গড়ে দিচ্ছেন। ফলে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে সূর্যকুমারদের দল।

বাংলাদেশ অবশ্য বিশ্বাস করবে ভারতের আধিপত্যে হানা দেওয়ায়। প্রথম রাউন্ডে শেখ মেহেদী হাসানের ঘূর্ণি ও মোস্তাফিজুর রহমানের কাটারে গ্রুপ সেরা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে। ধীরগতির উইকেটে ৮ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে তারা তুলে নিয়েছিল ৫ উইকেট। সুপার ফোরে আজ ভারতকে হারাতে পারলে সেটি শুধু ঐতিহাসিক জয়ই হবে না, ফাইনালে ওঠার বড় দরজাও খুলে দেবে। দুবাইয়ে ম্যাচ শুরু হবে রাত সাড়ে ৮টায়। দেখাবে টি স্পোর্টস।

প্রশ্ন এখন একটাই-২০১৯ সালের পর আবারও কি ভারতকে হারাতে পারবে বাংলাদেশ? হেড টু হেডে ১৬-১ ব্যবধান ঘুচিয়ে কি নতুন এক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সূচনা করতে পারবে লাল-সবুজরা?

ম্যাচের আগে অবশ্য সামর্থ্যের কথাই জানিয়ে গেছেন টাইগারদের হেড কোচ ফিল সিমন্স। তার বিশ্বাস টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলেরই ভারতকে হারানোর সামর্থ্য আছে, বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। ম্যাচের আগে বলেছেন,‘প্রতিটি দলেরই ভারতকে হারানোর সামর্থ্য আছে। খেলা যেদিন হয়, সেদিনই নির্ধারিত হয় সবকিছু। ভারত আগে কী করেছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো বুধবারের ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। আমরা যতটা ভালো খেলতে পারি, খেলবো এবং চেষ্টা করবো ভারতকে ভুল করতে বাধ্য করতে। এভাবেই ম্যাচ জেতা যায়।’