‘নিউ ইয়র্কের ঘটনা আ.লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে দিয়েছে’

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘নিউ ইয়র্কে বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী বিএনপি ও এনসিপি নেতাদের ওপর আওয়ামী লীগ কর্মীদের হেনস্ততার ঘটনা তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত করে দিয়েছে।’

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজের ১৪তম ব্যাচের ইন্টার্ন সমাপ্তি ও এমবিবিএস সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে পরাস্ত হয়ে পালিয়ে গিয়ে তাদের এ সমস্ত কাজ ছাড়া আর কী করার আছে? এটাই তো করবে, তাই না? এর বাইরে আর কিছু করার নেই। আপনি যখন পরাজিত হয়ে দেশ থেকে পালিয়ে গেলেন, সমর্থকদের এ ধরনের কাজের বাইরে আর কিছু করার নেই আপাতত। গণতন্ত্রেই বিশ্বাস করে না। দেশ ধ্বংস করে পালিয়ে গিয়ে, এখন যেগুলো করছে এগুলো আরও ধ্বংসাত্মক। এগুলো তাদের ভবিষ্যতকে আরও অনিশ্চিত করে দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় দূতাবাসের গোয়েন্দা ব্যর্থতা আছে কি না সেটি নিশ্চিত নয়। নিরাপত্তা ওই দেশের বিষয়। হয়ত দূতাবাসের ইন্টেলিজেন্স ছিল কি না আমি জানি না। তাদের জানা উচিত ছিল। এ ঘটনায় তেমন কিছু আসে যায় না। একটা গণতান্ত্রিক দেশে অনেক কিছু হতেই পারে। এটা আমার জন্য এমন বড় কিছু না। গণতান্ত্রিক সব দেশে এগুলো হয়ে থাকে। যার সমর্থন আছে সেও করতে পারে। যার সমর্থন নেই সেও করতে পারে।’

এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দেওয়া বক্তব্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজ যাত্রা শুরু করে- তা অনেকখানি পূর্ণতা পেয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্যতা ও মেধার প্রমাণ দিয়ে তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছেছে। আশা করবো, চিকিৎসকরা দেশের স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে কাজ করবেন। তাদের গবেষণালব্ধ কাজে লাগিয়ে চিকিৎসা সেবার মান আরও বাড়াবেন।’

তিনি দেশের প্রতিটি ঘরে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া ও সবার জন্য সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সবার সামনে তুলে ধরেন এবং তা বাস্তবায়নে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের পরিচালক (মেডিক্যাল অ্যাফেয়ার্স) ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এ কে এম আশরাফুল করিম।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- কার্যনির্বাহী কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদ, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি জাহিদুল হাসান, ট্রেজারার অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, সদস্য তারিকুল ইসলাম তানভীর, সাইফুল আলম, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ডা. মোহাম্মদ সারোয়ার আলম, মোহাম্মদ আবুল হাশেম।