স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
যশোরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে কন্যাশিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেছেন, একটি শিশুকে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই হবে অভিভাবকদের মূল লক্ষ্য। সেই শিশুটি পুত্রও হতে পারে, আবার কন্যাও হতে পারে। শিশুটি পুত্র বা কন্যা এটা বিষয় নয়, আদর্শবান সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই হলো মূখ্য বিষয়।
বুধবার সকালে যশোর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও শিশু একাডেমি আয়োজিত কন্যাশিশু সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
পুলিশ সুপার রওনক জাহান আরও বলেন, সমাজে কন্যাশিশুদের প্রতি এক ধরণের বৈষম্য করা হয়। বলা হয়ে থাকে কন্যারা ঘরের মধ্যে থাকবে বাইরে, বাইরে কেন। পরিবার থেকেই কন্যাশিশুরা বৈষম্যের শিকার হন। পরিবারে একজন পুত্র যেসব সুযোগ-সুবিধা পায়, অনেক সময় কন্যা তার অর্ধেকও পায় না। কন্যারা বেশির ভাগ অবহেলার শিকার হয়। লিঙ্গ বৈষম্য না করে সবাইকে সমান সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা প্রয়োজন। অভিভাবকরা সচেতন হলে কন্যাশিশুরা বৈষম্যের শিকার হবে না। অভিভাবকদের মন থেকে বৈষম্য দূর করতে হবে। তবেই প্রতিটি কন্যাশিশু মেধা, মননের বিকাশ ঘটাতে পারবে।
জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা, তালবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহনাজ পারভীন।
এসময় নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন, যশোর পুলিশ লাইন স্কুলের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিশা তানহা ঐশ্বর্য, যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইফ্ফাত জামান রারা, যশোর সেবাসংঘ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. ফাহমিদা মোস্তফা ও যশোর কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাওসান আলম। অনুষ্ঠানে সঞ্চলনা করে যশোর কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আনুশেহ আরাবী সকাল।#







