স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি,গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে যশোরে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর এই স্মারকলিপি দেয়া হয়। একইসাথে তারা কালো টাকার ব্যবহার, ভোটকেন্দ্র দখল ও পেশিশক্তি বন্ধের লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চালুর দাবি জানিয়েছেন।
স্মারকলিপিতে তারা দাবি করেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকার সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনীতিকরণ করেছে। তাই জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করা জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে জনগণ জোর দাবি জানাচ্ছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৫-দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর গণভোট আয়োজন করা। আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা। ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা। স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, তাদের প্রস্তাবিত এই দাবিসমূহ বাস্তবায়িত হলে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে। এছাড়া, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক আন্দোলন যশোরের সভাপতি মিয়া মো. আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সরদার, ছাত্র যুব বিষয়ক সম্পাদক কাজী ইমদাদুল, সহ অর্থ সম্পাদক মুস্তাকিন বিল্লাহ, শ্রমিক আন্দোলন যশোরের সম্পাদক গাজী শহিদুল ইসলাম, পৌর শাখার সম্পাদক ওলিয়র রহমান প্রমুখ।







