জুলফিকার আলী,কলারোয়া(সাতক্ষীরা)
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের নাথিপুর এতিমখানা দিঘিরকান্দা থেকে সেগুন ও মেহগনি গাছ এবং প্রায় ৪ মণ জ্বালানি কাঠ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গাছের দায়িত্বপ্রাপ্ত মালিক পক্ষ এক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে থানায় পুলিশি সহায়তা চেয়েছেন।
গাছের দায়িত্বে থাকা মালিক পক্ষ সোহাগ এই অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, তিনি উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আবু সাইদ বকুল নামে এক ব্যক্তিকে দৈনিক চুক্তিতে কর্মচারী হিসাবে গাছের গুড়ি দেখাশোনার জন্য নিয়োগ দেন। কিন্তু বকুল সেই সুযোগ নিয়ে কাঠের গুড়ি বেশি করে স-মিলে নিয়ে যাওয়া এবং সেগুন কাঠ চুরি করে আত্মসাতের চেষ্টা করেন।
সোহাগ সাহেব লোকমুখে বিষয়টি জানতে পেরে স-মিলে গিয়ে চুরি হওয়া সেগুন কাঠ উদ্ধার করেন। এ সময় ওই স-মিলে ব্যাপক বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মিলের মালিক রাজ্জাক সরদার এসে পরিস্থিতি শান্ত করে মীমাংসা করে দেন।
মিল মালিক রাজ্জাক সরদার জানান, “বকুল লোক হিসাবে ভালো না। সে ঝামেলার লোক, তার নামে এলাকায় বহু অভিযোগ রয়েছে। আমার মিলে কাঠ সরিয়ে রাখা নিয়ে ঝামেলা হচ্ছিলো, আমি এসে তা মীমাংসা করে দেই।”
এদিকে, সোহাগ সাহেব আরও অভিযোগ করেন যে, বকুল পাঁচপোতা গ্রামে ভূমিহীনদের বরাদ্দকৃত ৬৮ সেপ্টি কাঠও চুরি করেছিলেন, যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা। ভূমিহীনদের কাঠ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা বেলি গ্রামের আনছার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এই ঘটনায় সাতক্ষীরা আদালতে আবু সাইদ বকুলের বিরুদ্ধে সিআর-০৭/২৩ নম্বরের একটি মামলা চলমান রয়েছে।
সোহাগ সাহেব জানান, এসব ঘটনা জানার পর তিনি বকুলকে তাঁর কাজের দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করেছেন। তিনি চুরি হওয়া কাঠ ও জ্বালানি উদ্ধারের জন্য থানা পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তবে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু সাইদ বকুলের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁর মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।







