হাদি হত্যার বিচার, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে হামলার প্রতিবাদে যশোরে বিক্ষোভ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রনেতা ওসমান হাদি, দিপু দাস ও শিশু আয়েশা আক্তারের নির্মম হত্যার বিচার দাবি এবং প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, উদীচী ও ছায়ানটে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে যশোরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে শহরের টাউন হল ময়দান থেকে সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ এবং গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের যৌথ উদ্যোগে এই মিছিল শুরু হয়। বিক্ষোভ শুরুর আগে শতকণ্ঠে জাতীয় সংগীত ও গণসংগীত পরিবেশিত হয়। এরপর বর্ণাঢ্য মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া সাংস্কৃতিক কর্মী ও মুক্তচিন্তার মানুষদের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা শোভা পাচ্ছিল।বিক্ষোভকারীরা তাদের স্লোগানে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড, মুক্ত গণমাধ্যম এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোতে আগুন দেওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। উপস্থিত জনতা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করাসহ দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

টাউন হল ময়দানে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ হাসান বুলু, সানোয়ার আলম খান দুদু, গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতা জিল্লুর রহমান ভিটু, রাশেদ খান, ইমরান খান প্রমুখ।

দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু হওয়ার বিষয়ে বিক্ষোভ মিছিলে বক্তারা সরকারের সমালোচনা করেন। তারা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে যারা বিশ্বাস করে না, তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে।

বক্তারা সাম্প্রতিক নৃশংসতার উদাহরণ টেনে বলেন, প্রকাশ্যে দিবালোকে ছাত্রনেতা ওসমান হাদির ওপর হামলা করে তাকে হত্যা করা। ধর্ম অবমাননার দায়ে বিপুল দাসকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা। ছোট্ট শিশু আয়েশাকে বদ্ধ ঘরে রেখে আগুন জ্বালানো কাম্য নয়। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও একটি অপশক্তি সক্রিয় রয়েছে।

তারা মুক্ত গণমাধ্যম ও বাঙালি সংস্কৃতিকে টার্গেট করে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে জ্বালিয়ে দিচ্ছে। যা কোনো সভ্য দেশের চিত্র হতে পারে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব হত্যা ও আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।