স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
ঝিকরগাছা উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল হোসেন গুম হয়েছে দাবি করে প্রতিবাদে রোববার সকাল থেকে যশোর–বেনাপোল মহাসড়ক অবরোধ করেছে স্বজনসহ এলাকাবাসী। ঝিকরগাছার লাউজানি এলাকায় গাছ ফেলে মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। এ সময় “রাসেল ভাই গুম হলো কেন প্রশাসন জবাব দাও, গুমের বিচার চাই—সহ নানা স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন যশোর-২ আসনের বিএনপি মনোনিতপ্রার্থী ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা নাজমুল (মুন্নি)। তিনি যেয়ে নেতাকর্মী ও স্বজনদের আশ্বাস্ত করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাসেল হোসেন নিখোঁজ হন। এরপর ঝিকরগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। ফলে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, রাসেল হোসেন একজন পরিচিত রাজনৈতিক কর্মী হওয়া সত্ত্বেও তার নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে না। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিক্ষোভকারীরা।
এদিকে, অবরোধের কারণে রোববার সকাল থেকে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দূরপাল্লার যানবাহনের যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে বিক্ষোভকারীরা রাসেল হোসেনকে জীবিত উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবিতে অনড় অবস্থান নেয়।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা উপজেলা যুবদলের নেতারা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, দ্রুত রাসেল হোসেনকে উদ্ধার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এবিষয়ে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহাজালাল আলম রাতদিন নিউজকে বলেন, ৯টা ৫৫ মিনিট থেকে ১২টা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ ছিলো। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।




