আলোচনায় ‘কোটিপতি’ জোভানের মধ্যবিত্ত জীবন!

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

মুক্তির মাত্র ২৪ ঘণ্টায় অতিক্রম করেছে ৩০ লাখ ভিউয়ের ঘর। কারণ গল্পটি দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। বিশেষ করে এর গল্প দর্শকদের বার্তা দিয়েছে কোটিপতি হয়েও সাদামাটা জীবন বেছে নেওয়ার অনন্য এক গল্প।

নাটকটির নামও ‘কোটিপতি’। সিএমভির ব্যানারে মেজবাহ উদ্দিন সুমনের চিত্রনাট্যে এটি নির্মাণ করেছেন এস আর মজুমদার। এর প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারহান আহমেদ জোভান ও কেয়া পায়েল।

যেখানে উঠে এসেছে কোটিপতি হয়েও মধ্যবিত্ত জীবন কাটানো এক অসামান্য পরিবারের গল্প। ২৬ ডিসেম্বর সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাওয়া নাটকটি এখন রাজনীতির মাঠ ছাপিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।

নাটকটি দেখে আরিফুল ইসলাম নামের একজন দর্শক লিখেছেন, ‘এই নাটকটা শুধু নাটক না, নতুন প্রজন্মের এক দিকনির্দেশনা।’ নাজিম নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘পুরো নাটকটা দেখে যা বুঝলাম, প্রত্যেকটা কোটিপতি মানুষের মধ্যে এমন মনুষ্যত্ব থাকা দরকার।’ আরেক দর্শক সম্রাট খান লিখেছেন, ‘নাটকটা দেখে মনে হল অনেক কিছু শিখা আছে আমাদের অসংখ্য ধন্যবাদ পরিচালককে এবং জোভান ভাইকে।’ এমডি শুভ লিখেছেন, ‘বাস্তবেও যদি মানুষ এমন হতো। তাহলে শুধু শয়তান জাহান্নামে যেতো।’এমন অজস্র মন্তব্যে ভেসে যাচ্ছে নাটকটির ইউটিউবের কমেন্ট সেকশন।

বিকাশ সাহা ও শরীফ রানার সিনেমাটোগ্রাফিতে ‘কোটিপতি’ নাটকে আরও অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম, কিংকর আহসান, নাদের চৌধুরী, মিলি বাশার প্রমুখ।

নির্মাতা এস আর মজুমদার ‘কোটিপতি’র এমন সাড়া পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘এটি মূলত সামাজিক তথা পারিবারিক প্রেক্ষাপটের একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক। যেখানে ধনী-গরীব, বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান, বন্ধু-সহকর্মী-স্বজনরা মিলে-মিশে একটা হাসি-কান্নার মধ্যবিত্ত জীবন-যাপনের চেষ্টা করে। সেই গল্পটি প্রকাশের পর দর্শকরা যেভাবে আমাদের প্রশংসায় ভাসাচ্ছে, সেটি দেখে অভিভূত।’

প্রযোজক ও পরিবেশক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘কোটিপতি হওয়া গর্বের হতে পারে, কিন্তু মানুষ হওয়াটাই আসল সম্পদ। জীবন চালানোর জন্য যতটা দরকার, ততটাই যথেষ্ট। আর যেটুকু বাড়তি থাকে, তা মানুষের কল্যাণে দিলেই টাকার সত্যিকারের মূল্য পাওয়া যায়। মূলত এই অমূল্য বার্তাটি আমরা সমাজে দেয়ার চেষ্টা করেছি। সেটি মানুষ সাদরে গ্রহণ করেছে বলে নিজেদের চেষ্টা সার্থক মনে হচ্ছে। ধন্যবাদ প্রিয় দর্শক।’