স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
ঘটা করে প্রথমবারের মতো নারী ফুটবল লিগে দল গঠন করেছে পুলিশ এফসি। সানজিদা আক্তারকে দেওয়া হয়েছে অধিনায়কের দায়িত্ব। তবে দেড় বছর পর শুরু হওয়া লিগে পুলিশ এফসি জিততে পারেনি। তনিমা বিশ্বাসের জোড়ায় সেনাবাহিনী ২-০ গোলে তাদের হারিয়েছে।
কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সোমবার পুলিশ এএফসি, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি, বিকেএসপি এবং রাজশাহী স্টার্স ফুটবল ক্লাব সহ মোট ১১ দল নিয়ে হচ্ছে এবারের লিগ। এতে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৪ লাখ টাকা পুরস্কার।
মাসব্যাপী লিগে প্রচন্ড শীতের মধ্যে ফ্ল্যাডলাইটে হয়েছে উদ্বোধনী ম্যাচটি। সানজিদা আক্তার, আইরিন খাতুন, সাগরিকা, কোহাতি কিসকুদের মতো সাফজয়ী চেনামুখ নিয়ে গড়া পুলিশ এফসি এবং বয়সভিত্তিক দলের ৯ জনকে নিয়ে গড়া সেনাবাহিনীর লড়াইয়ে শুরুর দিকে অবশ্য উত্তাপ ছিল না।
১২ মিনিটে বাম দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠে পুলিশ এফসি। বক্সে বল পেয়েও যান সাগরিকা। কিন্তু দুরূহ কোণ থেকে এই ফরোয়ার্ডের নেওয়া শট বলের লাইনে থাকা মিলি আক্তার সহজেই আটকান। এরপর দুই দল তেমন কোনও আক্রমণই গড়তে পারেনি। ৪০ মিনিটে ম্যাচে প্রাণ ফেরে তনিমার দারুণ এক গোলে।
প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে উচিয়ে শট নেন তনিমা বিশ্বাস। বল হাওয়ায় ভেসে লাফিয়ে ওঠা পুলিশ এফসির গোলকিপার তাসলিমার গ্লাভস জোড়াকে ফাঁকি দিয়ে আশ্রয় নেয় জালে। সতীর্থদের সাথে বাঁধনাহারা উদযাপনে মাতেন তনিমা।
বিরতির পর পুলিশ গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু রক্ষণদুর্গ জমাট রেখে খেলতে থাকে সেনাবাহিনী। ৫৬ মিনিটে সাবিনা খাতুন রুবির চিপ শট এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালের দিকে যাচ্ছিন। দারুণ ক্ষীপ্রতায় ক্লিয়ার করেন সেনাবাহিনীর ডিফেন্ডার রুমা আক্তার।
৭০ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। সুলতানার থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকে দুরূহ কোণ থেকেই শট নেন তনিমা। বল দূরের পোস্টের ভেতরের দিকে লেগে জালে জড়ায়। তার পর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর স্টাইলে উদযাপন সারেন এই মিডফিল্ডার।




