স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
কবি জয়নব সাত্তার’র ১২ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার স্থানীয় কবি জয়নব সাত্তার একাডেমিতে এক মনোজ্ঞ আলোচনা সভা ও পদক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গুণী এই কবির স্মরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, কবি, সাহিত্যিক ও গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক অধ্যক্ষ পাভেল চৌধুরী।
কবিপুত্র ও ঔপন্যাসিক এম এন এস তুর্কী-এর সাবলীল সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অধ্যক্ষ কবি ড. শাহনাজ পারভীন, কবি ও গবেষক ড. সন্দীপক মল্লিক, কবি ড. সবুজ শামীম আহসান, কবি মফিজুর রহমান রুন্নু এবং কবি ও গবেষক মুহম্মদ শফী।
আলোচনায় বক্তারা কবি জয়নব সাত্তার’র সাহিত্যকর্ম, জীবনদর্শন ও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর কবিতা ও গদ্যে মানবতাবোধের যে গভীর ছাপ রয়েছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গুণীজনদের মাঝে পদক বিতরণ। এ বছর সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. সন্দীপক মল্লিক, গবেষক মুহম্মদ শফী এবং গবেষক ও চিত্রশিল্পী মফিজুর রহমান রুন্নু-কে কবি জয়নব সাত্তার একাডেমি পদক প্রদান করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “কবি জয়নব সাত্তার তাঁর সৃজনশীলতার মাধ্যমে আমাদের মাঝে চিরঞ্জীব হয়ে আছেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা।”
এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন ব্যঞ্জন থিয়েটরের সভাপতি পিন্টু জামান, প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি ও সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা মুন্না এবং সাবেক সভাপতি এডিএম রতন। অনুষ্ঠানে আগত কবি ও সাহিত্যিকগণ স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি এবং নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন, যা পুরো আয়োজনে এক সাহিত্যিক আবহ সৃষ্টি করে।
আলোচনা ও পদক প্রদান পর্ব শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখে।
কবি জয়নব সাত্তার একাডেমির এই অনুষ্ঠানটি স্থানীয় সাহিত্য-সংস্কৃতিপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।




