ফেলানী হত্যার ১৫ বছর: সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে যশোরে এনসিপির বিক্ষোভ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
২০১১ সালের ৮ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হন কিশোরী ফেলানী খাতুন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর দীর্ঘ সাড়ে চার ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে থাকা তাঁর মরদেহ আজও বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক বেদনাবিধুর প্রতীক হয়ে রয়েছে।
ফেলানী হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর পার হলেও এখনো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনাও বন্ধ হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, ফেলানী হত্যার বিচার এবং মানবাধিকার রক্ষার দাবিতে এনসিপি, যশোর জেলা আজ বিকেল চার ঘটিকায়  যশোর ভৈরব চত্বরে একটি প্রতিবাদী বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তারা অবিলম্বে ফেলানী হত্যার বিচার নিশ্চিত করা, সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি বন্ধ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় মানবাধিকারভিত্তিক নীতি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। কর্মসূচিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ড. মোহাম্মদ আল জাবীর, যুগ্ম সমন্বয়কারী, যশোর জেলা এনসিপি। তিনি বলেন, “ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পার হলেও আজও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। সীমান্তে নিরস্ত্র মানুষের ওপর এমন নির্মমতা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন  জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যশোর জেলার  যুগ্ম সমন্বয়কারী সাজিদ সরোয়ার, আশা লতা, সদস্য আসিফ সোহান, যশোর জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক ইমদাদ হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল নাদিম, যশোর জেলা ছাত্র শক্তির তপু ইসলাম, অমিত সহ অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।
কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা ও নির্দেশনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা সাকিব শাহরিয়ার, এনসিপি কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল), কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াইয়া জিসান, খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল, সালমান জাবেদ সহ যশোর জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।