শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় যুবদলের সাবেক সভাপতি মুন্নাকে শেষ বিদায়

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় যুবদলের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক মুন্নাকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। রোববার দুপুরে যশোরের লাল দীঘীরপাড় এলাকায় তার মরদেহ আনা হলে দলীয় পতাকা জড়িয়ে দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ চোখের জলে ও ফুলের শ্রদ্ধায় প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানান। রোববার জোহর নামাজের পর চাঁচড়া ডালমিল মোড়ে জানাজা শেষে চাঁচড়া রাজবাড়ি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযায় জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নেন।

এর আগে শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছিলেন।

জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে নিবেদিত এই নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জেলা যুবদল। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে চাঁচড়া ডালমিল এলাকার বাড়িতে ছুটে যান অসংখ্য নেতাকর্মী।

এছাড়াও তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন জাগপা প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যশোর সদর আসনের ‘চশমা’ প্রতীকের প্রার্থী নিজামদ্দিন অমিত।

উল্লেখ্য, এহসানুল হক মুন্না ২০০২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যশোর জেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসী হামলায় তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনি স্থায়ীভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্ট্রোক করায় তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি ঘটে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।